ভিডিও সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২

প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:০৩ রাত

নাটোরে ৩৭ লাখ টাকা উদ্ধার ঘটনা

গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা 

নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের সিংড়ায় একটি প্রাইভেট কার থেকে প্রায় ৩৭ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় গাইবান্ধা এলজিইডির তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী সাবিউল ইসলামসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে দুদকের সমন্বতি জেলা কার্যালয় রাজশাহীর সহকারী পরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদি হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় নির্বাহী প্রকৌশলী সাবিউল ইসলাম ছাড়াও গাইবান্ধা শহরের বাপ্পী কুমার দাস ও তার ছেলে বিন্তু কুমার দাসকে আসামি করা হয়েছে। বিকেলে দুদকের সমন্বতি জেলা কার্যালয় রাজশাহীর সহকারী পরিচালক ইসমাইল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের চলনবিল গেট এলাকায় পুলিশের নিয়মিত চেকপোস্টে তল্লাশির সময় নাটোরের সিংড়ায় একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে গাইবান্ধার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী পরিচয়দানকারী মো. সাবিউল ইসলামের কাছ থেকে ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩শ’ টাকা জব্দ করে পুলিশ।

একই সাথে গাড়িটি জব্দ করে ওই প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। তিনি রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া তিনি গাইবান্ধায় এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার আদি বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায় বলে জানা গেছে। পুলিশ ওই দিন সন্দেহভাজন একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে কালো ব্যাগ ভর্তি টাকা দেখতে পায়।

আরও পড়ুন

গাড়ির আরোহীর পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে গাইবান্ধার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বলে পরিচয় দেন। এতে সন্দেহ হলে প্রাইভেটকার, টাকাসহ আরোহী সাবিউল ও চালককে আটক রেখে বিষয়টি পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়।

পরে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে গাড়িতে থাকা ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩শ’ টাকা পান। বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় টাকা ও প্রাইভেটকারটি জব্দ করে ওই প্রকৌশলীকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। এলজিইডির প্রকৌশলী পরিচয়দানকারী সাবিউল ইসলাম পুলিশকে প্রথমদিকে জানিয়েছিলেন যে তার কাছে জমি বিক্রির ৩০ লাখ আছে।

পরে গুনে আরও ৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩শ’ টাকা বেশি পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পুলিশ থানায় জিডি করেন। পুলিশের ওই জিডির সূত্র ধরে বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে দুদক। নির্বাহী প্রকৌশলী সাবিউল বর্তমানে এলজিইডি সদর দপ্তরে কর্মরত রয়েছেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বগুড়ার ৭ আসনে বাদপড়া ১২ প্রার্থীর মধ্যে আপিলে যাচ্ছেন ১১ জন

বগুড়ার শিবগঞ্জে পলিথিন ব্যবহার করে ইরির বীজতলা রক্ষার চেষ্টা

‘আপু আপনি এখান থেকে পিঠা খেলে ঢাকা-৮ এর এমপি হয়ে যাবেন’

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

বগুড়ার নন্দীগ্রামে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে পুড়ল কৃষকের পাঁচটি খড়ের পালা