বিবৃতিতে হানিফ সংকেত বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরেই আমার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি কথা বলে আসছি। সত্যতা যাচাই না করে সামাজিক মাধ্যমে কোনো কিছু পোস্ট বা শেয়ার করা শুধু অন্যায় নয়, অপরাধও। দুঃখজনক হলেও সত্য, সম্প্রতি আমার কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বেশ কয়েকটি ফটোকার্ড পাঠিয়ে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।’
ওই ফটোকার্ডগুলো তার উপস্থাপনার শৈলী অনুকরণ করে তৈরি করা হলেও এর সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানান তিনি।
হানিফ সংকেত বলেন, ‘উক্ত ফটোকার্ডের কথাগুলো আমার উপস্থাপনাশৈলীর অনুকরণে ছন্দবদ্ধভাবে লেখা হলেও, সেগুলোর সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। অথচ অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, কোনো রকম সত্যতা যাচাই না করেই অনেকে এই ফটোকার্ডগুলো শেয়ার করছেন, কমেন্ট করছেন এবং লাইক দিচ্ছেন।
আরও পড়ুন
এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে গুণি এই ব্যক্তিত্ব বলেন, ‘দীর্ঘ চার দশক ধরে আমি কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছাড়াই নিরপেক্ষতা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করছি। আমার প্রকৃত বক্তব্য, উক্তি বা ফটোকার্ড কেবল আমার নিজস্ব ভেরিফায়েড প্ল্যাটফর্ম এবং স্বীকৃত গণমাধ্যমেই প্রকাশ করা হয়।’
উল্লেখ্য, হানিফ সংকেত একাধারে নির্মাতা, উপস্থাপক, লেখক, প্রযোজক, সুরকার ও গীতিকার হিসেবে সুপরিচিত। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এই কিংবদন্তি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ইতিহাস তুলে ধরছেন। চলতি বছর তিনি স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।