কাতারে গ্যাস স্থাপনায় হামলা, বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তান
কাতারের গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস স্থাপনা লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে হামলা চালিয়েছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র। এতে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্রটিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর প্রভাব ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও ভারত।
আজ বৃহস্পতিবার সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির এক বড় অংশই আসে কাতার থেকে। কাতারের প্রায় সব প্রাকৃতিক গ্যাস রাস লাফানে প্রক্রিয়াজাত ও সেখান থেকে রপ্তানি করা হয়। ফলে এসব দেশের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে।
কাতারের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কাতারএনার্জির পরিচালিত রাস লাফান বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ক্ষেত্র। সেখানে গ্যাস পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বন্দর সুবিধার সবই আছে। বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ রপ্তানি করে কাতার; যা যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। দেশটির এই গ্যাসের প্রায় পুরোটাই রাস লাফান থেকে পাঠানো হয়।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয়েরই অভ্যন্তরীণ এলএনজি মজুত অত্যন্ত সীমিত; যা বড়জোর এক থেকে দুই সপ্তাহ চলতে পারে। ফলে এই সরবরাহ সংকটে দেশ দুটিতে বড় ধরনের লোডশেডিং এবং শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহ হ্রাসের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঅন্যদিকে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল’র তথ্যানুযায়ী, ভারত তাদের এলএনজি চাহিদার ৪০ শতাংশের বেশি কাতার থেকে সংগ্রহ করে।
রাস লাফান স্থাপনার পরিচালক ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি চলতি মাসের শুরুর দিকে এলএনজি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন স্থগিত করেছিল। তবে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে কোম্পানিটির অনেক বেশি সময় লেগে যেতে পারে।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক






_medium_1773927741.jpg)
_medium_1773895342.jpg)
_medium_1773902888.jpg)