দেশটির রয়্যাল সিলের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মালয়েশিয়ার শাসক পরিষদ এবং রাজা ইয়াং ডি পারতুয়ান আগাং সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
মালয়েশিয়ার ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী ইসলামিক জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং রুকিয়া অর্থাৎ সরাসরি চাঁদ দেখা ও হিসাব বা গাণিতিক গণনা এই দুই পদ্ধতির সমন্বয়ে প্রতি বছর ঈদের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়। জাতীয় রেডিও এবং টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে সারা দেশের মানুষকে এ সরকারি সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুনদক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে প্রতি বছর অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও ধর্মীয় উৎসবের মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়। শনিবার সকালে ঈদের জামাত আদায় এবং বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশটিতে বসবাসরত মুসলিমরা উৎসবে মেতে উঠবেন। এ ঘোষণার পর থেকে মালয়েশিয়াজুড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ঈদের আমেজ ও প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরসহ প্রধান শহরগুলোতে ইতোমধ্যে উৎসবের আবহ বিরাজ করছে।

নিউজ ডেস্ক








