আজ জাতীয় কালো বিড়াল দিবস
লাইফস্টাইল ডেস্ক : কালো বিড়াল দেখলে দুর্ভাগ্য আসে—এমন কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে। এই ধারণা দূর করতে এবং কালো বিড়ালের প্রতি মানুষের যত্নশীল মনোভাব গড়ে তুলতে প্রতি বছর ২৭ অক্টোবর পালিত হয় জাতীয় কালো বিড়াল দিবস।
যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে দিবসটি কালো বিড়াল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির উপলক্ষ হিসেবে বিবেচিত হয়।
কালো বিড়ালকে ঘিরে নানা কুসংস্কার দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত। কোথাও কালো বিড়াল সামনে দিয়ে গেলে অমঙ্গল হতে পারে বলে মনে করা হয়, আবার কোথাও তাদের দুর্ভাগ্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। তবে এসব ধারণার পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
বিড়ালের গায়ের রং তার আচরণ বা ভাগ্য নির্ধারণ করে না।
কালো বিড়ালকে ঘিরে কুসংস্কার
ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে কালো বিড়ালকে ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন বিশ্বাস গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইউরোপের কিছু অঞ্চলে কালো বিড়ালকে অশুভ শক্তির সঙ্গে যুক্ত করা হতো। এসব বিশ্বাসের প্রভাব জনপ্রিয় সংস্কৃতি ও লোককাহিনিতেও দেখা যায়।
আরও পড়ুনতবে অনেক সংস্কৃতিতে কালো বিড়ালকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। জাতীয় কালো বিড়াল দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো কালো বিড়াল সম্পর্কে প্রচলিত নেতিবাচক ধারণা দূর করা এবং তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণে উৎসাহ দেওয়া। শুধু গায়ের রঙের কারণে কোনো বিড়ালকে অবহেলা করা বা দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা উচিত নয়।
পোষা কিংবা পথের বিড়াল—সব প্রাণীরই প্রয়োজন নিরাপদ আশ্রয়, পর্যাপ্ত খাবার, পরিষ্কার পানি ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা। প্রাণীর প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ এবং কুসংস্কারের বদলে সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানায় দিবসটি।
কালো বিড়াল দিবস তাই কেবল একটি প্রাণীকে ঘিরে উদ্যাপন নয়; বরং গায়ের রং বা প্রচলিত বিশ্বাসের ভিত্তিতে কোনো প্রাণীকে বিচার না করার বার্তাও দেয়।
মন্তব্য করুন








_medium_1793094757.jpg)
_medium_1793095344.jpg)