ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল
দেশে নতুন বিভাজনের রাজনীতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ ইসলাম ধর্মের জনসংখ্যা বেশি হলেও এ দেশে সবার সমান গুরুত্ব। ইসলাম ব্যতীত অন্য সব ধর্মের মানুষকে খাটো করার সুযোগ নেই।
আজ বুধবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ‘বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন’ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ। বিএনপি ও জামায়াত বলে কেউ সুবিধা পাবে না। জনগণের ভালোবাসা দিয়ে নির্বাচিত হতে হবে। সত্যিকারার্থে গণতন্ত্রের ভিত্তিই অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন। নির্বাচনের পর চেয়ারম্যান-মেম্বারদের নিয়ে জাতীয় সংগঠন করা হবে। এডহক কমিটি করবেন আপনারা। আপনাদের সংগঠনের সেই কাউন্সিলে প্রধানমন্ত্রী আসবেন।’
তিনি বলেন, আমাদের ছোট দেশ। কিন্তু সমস্যা অনেক। সীমিত সম্পদ দিয়ে বিশাল জনগোষ্ঠীর চাহিদা পূরণে কাজ শুরু করেছে সরকার। নির্বাচনের আগে দল গুছিয়ে নেওয়া হয়েছে। সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনায় দেশ গঠনের কাজ চলছে।
আরও পড়ুনতিনি আরও বলেন, ‘আগে দল গুছিয়েছি, সরকার গঠন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কাজ শুরু করেছেন, এ বছরের মধ্যে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড সুবিধার আওতায় আনা হবে। কৃষক কার্ড চালু করা, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষক ঋণ মওকুফ করেছেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতার ব্যবস্থা করেছেন, খাল খনন শুরু করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘এই কাজগুলো জনগণের, তৃণমূল পর্যায়ের সাধারণ মানুষের উপকারের কাজ, জনগণের স্বস্তির জন্য। আমাদের প্রস্তাব আছে এসব উন্নয়নমূলক কাজে তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের, তৃণমূল নেতাদের সম্পৃক্ত করতে হবে। সেটির কাজও শুরু হয়েছে। প্রতিটি উন্নয়নের ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা হবে। এটি বেশি প্রয়োজন, না হলে শক্তিশালী রাষ্ট্র কাঠামো তৈরি হয় না।’
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক








