ভিডিও মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রকাশ : ১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:৪২ এএম

সেমিফাইনালের আগে যা বলছেন চার দলের তারকারা

ছবি : সংগৃহীত, সেমিফাইনালের আগে যা বলছেন চার দলের তারকারা

স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপের শিরোপা লড়াই এখন চার দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কোয়ার্টার ফাইনালের বাধা পেরিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে ফুটবল বিশ্বের চার পরাশক্তি, যারা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষ চার দল। ডালাসে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও স্পেন। অন্য সেমিফাইনালে লড়বে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড।

ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের প্রত্যাশা ও ভাবনার কথা জানিয়েছেন চার দলের তারকা ফুটবলাররা।

মেসি ও আলভারেস (আর্জেন্টিনা) 

লিওনেল মেসি: ৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন তারকা দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। ম্যাচটি নিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে মেসি বলেন, ‘এটি আমার জন্য অত্যন্ত স্পেশাল একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে, কারণ ক্যারিয়ারে আমি কখনও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলিনি। তারা বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি এবং বিশ্বমানের একটি দল। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো মঞ্চে এমন দলের বিপক্ষে লড়াইটা সত্যিই জমজমাট হবে।’

হুলিয়ান আলভারেস: কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে দূরপাল্লার দুর্দান্ত গোল করে আর্জেন্টিনাকে জেতানো এই ফরোয়ার্ডের আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপ যত এগোচ্ছে, আমি নিজের ছন্দ ফিরে পাচ্ছি এবং সেমিফাইনালে আরও ভালো করার আশা রাখছি। দলের জয়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তবে একজন স্ট্রাইকার হিসেবে গোল করে দলের জয়ে অবদান রাখতে পারলে সত্যিই দারুণ অনুভূতি হয়।’

কেইন ও বেলিংহাম (ইংল্যান্ড)

হ্যারি কেইন: সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক সফল টুর্নামেন্ট কাটানোর পর এবার ট্রফি জিতে ইংল্যান্ডকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। তিনি বলেন, ‘আমাদের জাতীয় দলের জন্য এটি একটি অত্যন্ত সফল সময়। আমরা এবার সেই চূড়ান্ত পদক্ষেপটি নিতে চাই। গত ছয় সপ্তাহ ধরে আমরা সবাই মিলে এই জার্সির মর্যাদার জন্য প্রতিদিন আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়ে যাচ্ছি।’

জুড বেলিংহ্যাম: চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে ওঠা এই তরুণ নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে গর্বিত। বেলিংহ্যাম বলেন, ‘যা ঘটছে তা হয়তো আমার কল্পনারও অতীত। আমি একজন আত্মবিশ্বাসী ছেলে, তবে রাতের বেলা ঘুমানোর সময় কেউ এমন স্বপ্নের মতো ম্যাচের কথা কল্পনা করতে পারে না। দলের জয়ে অবদান রাখতে পারাটা দারুণ আনন্দের, তবে যেকোনো পরিস্থিতিতে দলের ছেলেরা যেভাবে লড়াই চালিয়ে যায়, তার জন্য আমি অত্যন্ত গর্বিত।’

আরও পড়ুন

এমবাপ্পে ও দেম্বেলে (ফ্রান্স)

কিলিয়ান এমবাপ্পে: টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের আগে ফরাসি অধিনায়ক কোনো ধরনের ঢিলেমি দিতে রাজি নন। এমবাপ্পে বলেন, ‘আমি জানি না এটিকে কোনো মিশন বলা যায় কি না, তবে আমরা সবাই জানি যে ট্রফি না জেতা পর্যন্ত আমাদের রিল্যাক্স করার কোনো সুযোগ নেই। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আগে আমরা আমাদের মনোযোগ সরাতে পারি না। নিজেদের একটি অপরাজিত দল হিসেবে প্রমাণ করতে হলে আমাদের এখনও অনেক কিছু দেখানোর বাকি আছে।’

উসমান দেম্বেলে: ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সামনে দাঁড়িয়ে পিএসজির এই তারকা বলেন, ‘আমি খুবই আনন্দিত। ফ্রান্স দলের এই ভূমিকায় আমি বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছি। টুর্নামেন্ট যত গড়াচ্ছে আমি মানসিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছি, তবে আমার কাছে নিজের চেয়ে দল সবসময় আগে।’

লামিনে ইয়ামাল ও রদ্রি (স্পেন)

লামিনে ইয়ামাল: ১৮ বছর বয়সী স্প্যানিশ তারকা ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগে মোটেও ভীত নন। প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এই উইঙ্গার বলেন, ‘টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই অনেকে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটির অপেক্ষায় ছিল। আমার মতে, এবারের বিশ্বকাপের সেরা দুটি দলই সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে। আমরা কাউকে ভয় পাই না। এই বিশ্বকাপে যদি কেউ ফ্রান্সকে হারাতে পারে, তবে সেটি আমরাই।’

রদ্রি: স্পেনের মাঝমাঠের মূল চালিকাশক্তি এবং আসরের সবচেয়ে বেশি সফল পাস দেওয়া রদ্রি ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচটিকে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘ফ্রান্স আমাদের জন্য এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। তবে আমরা অত্যন্ত অনুপ্রাণিত এবং ম্যাচটি জিততে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমাদের নিজেদের শক্তির ওপর ভরসা রেখে খেলতে হবে। ফ্রান্স দারুণ দল হতে পারে, তবে আমরাও কোনো অংশে কম নই।’

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সেমিফাইনালের আগে যা বলছেন চার দলের তারকারা

বরিশাল যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরে ইট নিক্ষেপ, তদন্তে পুলিশ

ডিজিটাল মাধ্যমে মাদক বেচাকেনার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস

বগুড়ায় অতিবৃষ্টিতে ৪শ’ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত

চাই মেসির হাতে বিশ্বকাপ উঠুক: মালাইকা চৌধুরী

ইউরোপজুড়ে তাপপ্রবাহে প্রাণ গেল ১০ হাজারের বেশি মানুষের