নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ৬৮০টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার
কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে মৎস্য বিভাগ অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়ে অভিযান চালিয়ে ৪৪ লাখ টাকার ৬৮০টি চায়না দুয়ারী জাল ও ৪টি মেশিনসহ অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করেছে। অবৈধ জাল তৈরির এক সহযোগীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে জাল তৈরির কারখানার মালিক এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে।
উপজেলা মৎস্য অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আব্দুস সালাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জ উপজেলার মধ্যরাজিব সয়ারকাজী গ্রামের একটি বাড়িতে অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল তৈরি করা হয়। সেখান থেকে রংপুর অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল সরবারহ করা হয়। সে তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কারখানাটির সন্ধান পাওয়া যায়।
সেখান থেকে প্রতিটি ৩০ মিটার লম্বা আকৃতির ৬৮০টি চায়না দুয়ারী জাল ও জাল তৈরির ৪টি মেশিন, অন্যান্য জাল তৈরির সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক প্রায় ৪৪ লাখ টাকা। এছাড়া জাল তৈরির ৩টি ডায়াস ভেঙে ফেলা হয়। জানা যায়, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান সেখানে উপস্থিত হন।
পরে জাল তৈরির সহযোগী মধ্যরাজিব সয়ারকাজী গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে দুলুর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দুলুর বাড়ি থেকে উদ্ধারকৃত ৮০টি জাল ভস্মীভূত করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে কারখানাটির মালিক একই গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে খলিল ও তার সহযোগী জলিল পলাতক রয়েছে।
আরও পড়ুনতাদের নামে নিয়মিত মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অভিযানের এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য অফিসার বরুন কুমার মন্ডল, অফিসার ইনচার্জ লুৎফর রহমান প্রমুখ। কিশোরগঞ্জ থানার ওসি লুৎফর রহমান জানান, জব্দকৃত জাল থানায় আনা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমান জানান, দেশীয় মাছ রক্ষায় কারখানাটির সন্ধান পাওয়া খুবেই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দেশীয় মাছ রক্ষায় অবৈধ জাল নষ্টে অভিযান অব্যহত থাকবে।
মন্তব্য করুন




_medium_1782243777.jpg)


