বগুড়ার শেরপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর নদীতে মিললঅটোরিকশা চালক আশাদুলের অর্ধগলিত লাশ
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরে অটোরিক্সাসহ নিখোঁজের তিনদিন পর করতোয়া নদী থেকে আশাদুল ইসলাম (২৫) নামের এক অটোরিকশা চালকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শাহ-বন্দেগী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর নামাপাড়া এলাকায় নদীর পশ্চিম পাড় থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আশাদুল উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের কাফুরা গ্রামের আয়েজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
এলাকাবাসি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে কয়েকজন কিশোর করতোয়া নদীর পাড়ে খেলতে গিয়ে মৃতদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে শেরপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। এ সময় পরিবারের লোকজন এসে লাশের গায়ের কাপড় দেখে লাশটি আশাদুলের বলে শনাক্ত করে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে আশাদুল ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে পরদিন রোববার তার মা আঞ্জুয়ারা শেরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ওই দিন বগুড়া সদর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা পরিত্যক্ত অবস্থায় ব্যাটারি বিহীন অটোরিকশা উদ্ধার করেন।
আরও পড়ুনশেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদিন জানান, মৃতদেহের পরিচয় শনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহের জন্য বগুড়ার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) আলামত সংগ্রহ করার সময় পরিবারের লোকজন আশাদুলের লাশ বলে শনাক্ত করে। সংশ্লিষ্ট দল ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার ওসি মোঃ ইকরামুল হোসাইন জানান, প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে আশাদুলকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। অটোরিকশাটি বগুড়া সদর থানার একটি ফাঁড়িতে আছে।
মন্তব্য করুন







