নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৫৬
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৫৬ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া দুজনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি ৪৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালী জেলা পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কোম্পানীগঞ্জ থানায় পাঁচজন, কবিরহাট থানায় চারজন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ১৬ জন, সেনবাগ থানায় দুজন এবং চরজব্বর থানায় তিনজনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, চাটখিল থানায় চারজনকে এবং হাতিয়া থানায় একজনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। হাতিয়া থানায় আটক বাকি পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ এবং কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধে নোয়াখালী জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে।
আরও পড়ুনতিনি আরও বলেন, এ ক্ষেত্রে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ হলেও কিশোরদের অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত ভূমিকা অপরিহার্য। কিশোরদের চলাফেরা, বন্ধুমহল, অনলাইন কার্যক্রম এবং আচরণগত পরিবর্তনের বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে।
পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে, যাতে তারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক








