আবিষ্কারের ৩০ বছর অতিবাহিত
দিনাজপুরের দীঘিপাড়া কয়লাক্ষেত্র আজও আলোর মুখ দেখেনি
নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দেশের সর্ববৃহৎ কয়লাক্ষেত্র হিসাবে আবিষ্কৃত দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের অন্তর্গত দীঘিপাড়া কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কতারের ৩০ বছর অতিবাহিত হলেও আজও তা আলোর মুখ দেখেনি। ২০১৮/১৯ সালে সম্ভাব্যতা যাচাই কাজ হওয়ার পর ওই কয়লাক্ষেত্র নিয়ে আর কোন কার্যক্রম দেখা যায়নি।
জানা যায়, বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর(জিএসবি) ১৯৯৫ সালে কয়লাক্ষেত্রটি আবিষ্কার করেন। এরপর তৎকালীন জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন সেখানে কয়লা আবিষ্কারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। এরপর জিএসবি খনন দল এলাকায় পর্যায়ক্রমে ৫টি কূপ খনন করে। কাজ শেষে উক্ত কয়লাক্ষেত্র থেকে কয়লার অনুসন্ধান ও কয়লা উত্তোলনের ব্যাপারে ২০১৫ সালের ২১ অক্টোবর বাংলাদেশ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি) ও বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড(বিসিএমসিএল) এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সূত্র মতে, দেশের অব্যাহত জ্বালানী চাহিদা মেটাতে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তারা দীঘিপাড়া কয়লাক্ষেত্র উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছেন। এই কয়লাক্ষেত্রের উন্নয়ন করা হলে এখান থেকে বছরে ৪ মিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদন সম্ভব হবে। যা দিয়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা যাবে। সব বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানী বিভাগ দিঘীপাড়া কোল বেসিনের ২৪ বর্গ কি.মি. এলাকার মোট কয়লার পরিমাণ নির্ণয় এবং বেসিনের কেন্দ্রীয় অংশে (১০-১১ বর্গ কি.মি.) ভূ-গর্ভস্থ পদ্ধতি ব্যবহার করে বছরে ৪ মিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন খনি উন্নয়নের জন্য বড়পুকুরিয়া খনি কর্তৃপক্ষকে অনুসন্ধান ও সম্ভাবতা যাচাইয়ের অনুমোদন দেয়। সে মোতাবেক ২০১৮/১৯ সালে তারা সেখানে সম্ভাব্যতা যাচাই কাজ করেন। তারপর সেখানে আর কোন কার্যক্রম দেখা যায়নি।
আরও পড়ুনএ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের(বিসিএমসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. শাহ আলম জানান, দীঘিপাড়া কয়লাক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর আর কোন কাজ বা সিদ্ধান্ত হয়নি।
মন্তব্য করুন






_medium_1791461691.jpg)


