ভিডিও মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪১ এএম

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের হোটেলে দুই কোচের হাতাহাতি

ছবি : সংগৃহীত, বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের হোটেলে দুই কোচের হাতাহাতি

স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের ইংলিশ কোচ জেরার্ড জোন্সের সঙ্গে সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশুর হাতাহাতি এবং এ ঘটনায় পুলিশ ডাকার খবরকে ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন জোন্স। উল্টো কর্মক্ষেত্রে হামলার শিকার হয়ে আত্মরক্ষা করতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন জোন্স।

ওই পোস্টে তিনি বলেন, সম্প্রতি কর্মক্ষেত্রে একটি গুরুতর ঘটনার শিকার হয়েছেন তিনি। ওই ঘটনায় হামলার ফলে শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন এবং আত্মরক্ষা করতে হয়েছে। ঘটনাটি স্বাধীন সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত করেছেন বলেও জানান তিনি।

ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে জোন্স লিখেছেন, ‘আমি অবগত যে আমার সঙ্গে সংঘটিত সাম্প্রতিক একটি ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য এখন জনসমক্ষে এসেছে। আমি আরও অবগত যে অনেক ভুল ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। কিছু ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা একেবারেই সত্য নয় এবং যা দেশের ভাবমূর্তির ক্ষতি করছে, পাশাপাশি আমাকে বিপদের মুখে ফেলছে।

ওই পোস্টে তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি আরও একটি বিষয় পরিষ্কার করে বলতে চাই। আমাদের গোলকিপিং কোচদের সঙ্গে আমার কোনো সমস্যা নেই। হোসে এবং হিমেল অসাধারণ কাজ করেছেন। মাঠে ও মাঠের বাইরে আমরা ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করি এবং আমাদের সহযোগিতা চমৎকার। দুজনেই অসাধারণ। হোসে আমার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন এবং আজকের প্রীতি ম্যাচেও তিনি সহকারী হিসেবে ছিলেন এবং আগের মতোই বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। অন্যান্য স্টাফদের সঙ্গেও আমার কোনো সমস্যা নেই।’

আরও পড়ুন

তিনি লিখেছেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, এখন এমন একটি চিত্র আঁকা হচ্ছে, যা ঘটে যাওয়া ঘটনার সঙ্গে মোটেই মিলছে না। তবে সম্প্রতি কর্মক্ষেত্রে আমি একটি গুরুতর ঘটনার শিকার হয়েছি, যেখানে হামলার ফলে আমার শারীরিক আঘাত লেগেছে এবং আমাকে আত্মরক্ষা করতে হয়েছে। আমি যা ঘটেছে তা স্বাধীন সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত করেছি এবং এই ঘটনা সংক্রান্ত প্রমাণ বাফুফে, পুলিশ, ব্রিটিশ পুলিশ এবং ব্রিটিশ দূতাবাসের কাছে জমা দিয়েছি।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমি আমার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে প্রকৃত উদ্বেগ প্রকাশ করেছি এবং বারবার সাহায্য চেয়েছি। সেই উদ্বেগ এখনো রয়ে গেছে।’

ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে জোন্স আরও লিখেছেন, ‘এত কিছুর পরেও আমার কাজ, খেলোয়াড়দের এবং বাংলাদেশের প্রতি আমার অঙ্গীকার অপরিবর্তিত রয়েছে। আজকের দিনটি তার আরেকটি উদাহরণ। আমি প্রধান কোচ হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করেছি, স্বাভাবিকভাবেই স্টাফদের সংগঠিত করেছি এবং পুরোপুরি দলের ওপর মনোযোগ দিয়েছি। তাৎক্ষণিক প্রযুক্তিগত স্টাফরা তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, খেলোয়াড়রা ইতিবাচক পারফরম্যান্স ও ফল দেখিয়েছেন—যা সবকিছুর চেয়ে বেশি সত্য কথা বলে।

তিনি লিখেছেন, আমি চাই না এই পরিস্থিতি এই তরুণ খেলোয়াড়দের অর্জনের চেষ্টা থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিক। আমাদের মনোযোগ ফুটবলের ওপর, ইতিবাচক থাকার ওপর এবং ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপরই রাখতে হবে। আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশন রয়েছে এবং আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, এই দল কিছু বিশেষ কিছু করতে পারে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের হোটেলে দুই কোচের হাতাহাতি

রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব হলেন ইউনুস আলী

জবি ফিজিক্স ডিবেটিং ক্লাবের প্রথম বার্ষিক বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ৫ জেলে

ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছে : নেতানিয়াহু

পাবনার চাটমোহরে আবাসিক এলাকায় জৈব সার কারখানা, মারা যাচ্ছে বৃক্ষরাজি