ঢাবির শেখ মুজিব হলের খাবারের ক্যান্টিনে মিললো কেঁচো, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
ঢাবি প্রতিনিধি :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হলের ক্যান্টিনের খাবারে এবার কেঁচো পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত ৯টার দিকে হলের পুরাতন ভবনের ক্যান্টিনে খাবার খাওয়ার সময় এক শিক্ষার্থীর খাবারে এই কেঁচো পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর নাম মো. রাফি হাওলাদার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দীন হলের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী। ঘটনার বিবরণ দিয়ে রাফি হাওলাদার জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে তিনি মুজিব হলের পুরাতন ভবনের ক্যান্টিনে রাতের খাবার খেতে যান। সেখানে পুঁইশাক ও মুরগির মাংস দিয়ে ভাত খাচ্ছিলেন তিনি। খাওয়ার একপর্যায়ে তরকারির মধ্যে তিনি একটি অদ্ভুত পোকা দেখতে পান।
প্রথমে চিনতে না পেরে তিনি আশপাশে থাকা অন্য শিক্ষার্থীদের পোকাটি দেখান। এসময় তারা নিশ্চিত করেন যে, খাবারের ভেতর থাকা পোকাটি মূলত একটি কেঁচো। বিষয়টি জানার পর উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে ক্যান্টিনের কর্মচারীদের (ক্যান্টিন বয়) ডেকে কেঁচোটি দেখান এবং অস্বাস্থ্যকর এই খাবারের বিষয়ে তাদের কাছে জবাবদিহি চান।
এবিষয়ে মুজিব হল সংসদের ভিপি মোহাম্মদ মুসলিমুর রহমান বলেন, ‘আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। এখন এ বিষয়ে ক্যান্টিনের দায়িত্বরত শিক্ষক এবং ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের সাথে আমাদের জরুরি মিটিং হয়েছে। আমরা তাৎক্ষণিক দশ হাজার টাকা জরিমানা করেছি।
আরও পড়ুনএ বিষয়ে মুজিব হলের প্রাধ্যাক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলেন, খাবারে এ ধরনের কিছু পাওয়া যাওয়া একেবারেই অগ্রহণযোগ্য ও অত্যন্ত আপত্তিকর বিষয়। ঘটনাটি জানার সাথে সাথেই আমি ক্যান্টিন কমিটির শিক্ষকদের ঘটনাস্থলে গিয়ে জরিমানা করেছি।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা এরমধ্যে একটি ক্যান্টিন বন্ধ করে দিয়েছি। নতুন ক্যাটারার নিয়োগের জন্য দরপত্র দেওয়া হলেও উপযুক্ত কাউকে না পাওয়ায় সেটি বাতিল করে পুনরায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের খাবারের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা নিশ্চিত করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। আজকের ঘটনায় যারাই দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।
মন্তব্য করুন









