এবার ফ্রান্সের জালে পেদ্রোর গোল, ব্যবধান বাড়ালো স্পেন
স্পোর্টস ডেস্ক : দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল স্পেন। ডালাসে ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ৫৮তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
দ্বিতীয় গোলের আক্রমণের শুরুতে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে সুযোগ পেয়েও মিকেল ওইয়ারজাবালকে গোল করার মতো অবস্থায় বল দিতে পারেননি দানি ওলমো। তবে বলটি শেষ পর্যন্ত পেদ্রো পোরোর কাছে ফিরে আসে। এরপর ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে ফরাসি গোলরক্ষক মাগনিয়ঁকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান পোরো।
এর তিন মিনিট পর একক প্রচেষ্টায় আবারও ফ্রান্সের জালে বল পাঠান লামিনে ইয়ামাল। তবে স্পেনের তৃতীয় গোলের উদযাপন শুরু হওয়ার আগেই অফসাইডের পতাকা তোলেন সহকারী রেফারি। ফলে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
এর আগে ম্যাচের নবম মিনিটে ফ্রান্সের বক্সের সামনে ফ্রি কিক আদায় করেন ওলমো। অ্যালেক্স বায়েনার নেওয়া কিক ফরাসি রক্ষণদেয়ালে আটকে যায়। ১৪তম মিনিটে দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ফ্রান্স। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দ্রুত বল নিয়ে স্পেনের বক্সে ঢুকে পড়েন কিলিয়ান এমবাপে। তবে কুবারসি ও লাপোর্তে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখে তাকে রুখে দেন।
প্রথমার্ধে হাইড্রেশন বিরতির আগে এগিয়ে যায় স্পেন। বক্সের মধ্যে ইয়ামালকে ফাউল করেন দিনিয়ে। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে স্পট কিক থেকে গোল করেন মিকেল ওইয়ারজাবাল।
২০তম মিনিটে কুকুরেয়ার ক্রস বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছিলেন দিনিয়ে। কিন্তু বল নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ার পর সামনে থাকা ইয়ামালকে ফাউল করে বসেন তিনি। এতে বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে পেনাল্টি আদায় করেন ১৯ বছর ১ দিন বয়সী ইয়ামাল।
আরও পড়ুনওইয়ারজাবালের নেওয়া পেনাল্টি ডান কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। ফরাসি গোলরক্ষক মাগনিয়ঁ সঠিক দিকে ঝাঁপ দিলেও বলের নাগাল পাননি। পিছিয়ে পড়ার পর সেন্টারব্যাক সালিবা চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লে ফ্রান্সের বিপদ আরও বাড়ে।
৩৬তম মিনিটে আবারও ফ্রান্সের রক্ষণকে চাপে ফেলে স্পেন। দূরপাল্লার একটি ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেন বায়েনা। তবে তিনি শট নেওয়ার আগেই অফসাইডের বাঁশি বাজে। পরের মিনিটে স্পেনের বক্সের বাইরে থেকে বারকোলার বাঁকানো শট গোলবারের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়।
৪০তম মিনিটের দিকে আরেকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে স্পেন। ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু পাসের পর ইয়ামালের কাছ থেকে বল পান ফ্যাবিয়ান রুইজ। তবে তার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
৪৩তম মিনিটে ফ্রান্স সুযোগ পেলেও এমবাপেকে বল নিয়ন্ত্রণের সময় দেননি উনাই সিমন। দ্রুত বক্সের বাইরে বেরিয়ে এসে বল ক্লিয়ার করেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক। ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধে পোরোর গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হওয়ায় ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ফ্রান্সের সামনে এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ।
মন্তব্য করুন






_medium_1784035637.jpg)

