ভিডিও শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রকাশ : ১৩ জুন, ২০২৬ ১১:০৬ এএম

পুলিশের বিরুদ্ধে ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ

পুলিশের বিরুদ্ধে ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ, ছবি: সংগৃহীত।

স্পোর্টস ডেস্ক: চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে বাসায় ফেরার পথে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য নাঈম হাসানকে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (১২ জুন) রাতে নগরীর লালখান বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে নাঈমের অভিযোগ। শনিবার সকালে নাঈম, তার পরিবারসহ এলাকার লোকজন অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের গ্রেপ্তারের দাবিতে চট্টগ্রামের খুলশী থানায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আমিরুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমে বলেন, তিনি (নাঈম হাসান) ন্যায়বিচার পাবেন। আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।

বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) খেলা শেষ করে শুক্রবার রাতে বিমানে করে চট্টগ্রামে পৌঁছেন নাঈম হাসান। রাত ১০টা ২০ মিনিটে ফ্লাইট থেকে নামার পর তিনি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসার দিকে রওনা হন।

গণমাধ্যমকে নাঈম হাসান বলেন, বিমানবন্দর টোল প্লাজার কাছে একজন ট্রাফিক পুলিশ আমাদের সিএনজিটি থামান। তিনি নিজে লালখান বাজার পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে আসেন। সেখানে পৌঁছানোর পর পুলিশ পোশাকে একজন এবং সাদা পোশাকে আরেকজন ব্যক্তি আমাদের গাড়ি তল্লাশি করতে চান। আমি ভেবেছিলাম তারা সাধারণ ব্যাগ চেক করবেন।


নাঈম হাসানের দাবি, তল্লাশির নামে এসআই শফিক নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ধাক্কা দিয়ে সিএনজির ভেতরে ঢুকিয়ে দরজা লক করে দেন।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, আমি কারণ জানতে চাইলে তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বলেন ‘তুই আসামি, চুপ থাক, একটা কথাও বলবি না।’ এরপর তিনি আমার কলার চেপে ধরেন এবং লাঠি দিয়ে মারধর করেন। আমার গলা চেপে ধরা হলে আমি চিৎকার করে বাবাকে ফোন দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু তারা আমার ফোনটি কেড়ে নেয়।

নাঈম আরও জানান, ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় লোকজন তাকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে শনাক্ত করলেও পুলিশ সদস্যরা তা আমলে নেননি। এরপর তাকে বন্দরনগরীর খুলশি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

থানার ভেতরের পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, থানায় নিয়ে যাওয়ার পর আমি ওসির (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) কাছে নিজের পরিচয় দিই। তখন তিনি আমাকে চোখ নিচু করে কথা বলতে বলেন। পরে যখন বিভিন্ন জায়গা থেকে আমার ব্যাপারে থানায় ফোন আসতে শুরু করে, তখন পুলিশের আচরণের পরিবর্তন ঘটে।

সিএমপির উপ-কমিশনার আমিরুল ইসলাম সাংবাদিককে বলেন, পুলিশ সদস্য যেই হোক না কেন, আমরা এই ব্যাপারে জিরো টলারেন্স। কারণ এটার সঙ্গে পুলিশের ইমেজ জড়িত। আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্নে কাজ করতেছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো কিছুই টলারেট করব না।

তিনি জানান, চোরাচালান সংক্রান্ত একটি তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সদস্যরা সেখানে অভিযানে গিয়েছিলেন। তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া এবং অভিযান যথাযথ নিয়ম মেনে হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পুলিশের বিরুদ্ধে ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ

মার্কিন বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে

পুলিশের বিবৃতি: সেই শিবির নেতা অপহরণ নয় আত্মগোপনে ছিলেন

কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

১-১ গোলের ড্রতে থামল কানাডা-বসনিয়ার রোমাঞ্চকর লড়াই

মারা গেছেন প্রখ্যাত ব্রিটিশ চিত্রশিল্পী ডেভিড হকনি