প্রকাশ : ১৪ মে, ২০২৬, ০৯:১৬ রাত
যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সভা
যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সভা
রাজধানী ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি সম্পন্ন হয়। ঢাকা শহরের ক্রমবর্ধমান যানজট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার লক্ষ্যেই মূলত এই বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়। এটি ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দ্বিতীয় দফার বৈঠক।
উক্ত সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবিসহ সরকারের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নীতিনির্ধারক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
এ ছাড়া সভায় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাসও অংশগ্রহণ করেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত থেকে ট্রাফিক ব্যবস্থার হালনাগাদ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে একটি আধুনিক ও সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন যাতে নগরবাসী যানজটের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পায়।
ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ব্যবস্থাপনা উন্নত করার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী দেশের সব স্থাপনায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের যাতায়াত উপযোগী অবকাঠামো নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যার ধারাবাহিকতায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সভায় ঢাকার চারপাশের নৌপথ এবং রেল যোগাযোগকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যেন সড়কের ওপর চাপ কমানো সম্ভব হয়। সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের নিজ নিজ এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং অবৈধ পার্কিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
জনস্বার্থ বিবেচনা করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার এই নিয়মিত পর্যালোচনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার আশা করছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব নির্দেশনার বাস্তবায়ন শুরু হলে রাজধানীর যাতায়াত ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক





