অন্য এক নেটিজেন বলেন, হাঁপানি রোগীর ক্ষেত্রে তিনি হয়তো বলবেন, জোরে শ্বাস নাও, কারণ বাতাস তো অনেক আছে।’ আরেকজন বলেন, ‘শ্রীলীলার পিরিয়ডের সময় যদি শক্তি থাকে, তার মানে এই নয় যে অন্য নারীদেরও একই রকম হবে।
পিরিয়ড নারীর কোনো অজুহাত হতে পারে না: শ্রীলীলা
সৌন্দর্য ও অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দক্ষিণের গণ্ডি ছাড়িয়েছেন শ্রীলীলা। তবে শুধু যে প্রশংসাই পাচ্ছেন তা কিন্তু না। হয়েছেন কটাক্ষের শিকার। নারীর ঋতুস্রাব নিয়ে কথা বলে বিপাকে পড়েছিলেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।
শ্রীলীলাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল তিনি এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী মোকাবিলা করেছেন এবং একজন নারী হিসেবে তা থেকে কীভাবে বেরিয়ে এসেছেন। উত্তরে তিনি বলেন, ‘পিরিয়ড নারীর জন্য কোনো অজুহাত হতে পারে না।’
ওস্তাদ ভগৎ সিং-এর সাফল্য পার্টিতে শ্রীলীলা বলেন, ‘সব গান বা বেশিরভাগ গানই পছন্দ করা হয়েছে। আমি আমার পিরিয়ডের সময়ে শুটিং করেছি, তাই পিরিয়ড কোনোভাবেই অজুহাত হতে পারে না। যখন আমরা অধিকার চাই, তখন বলি যে আমাদের সমানভাবে জিনিসগুলো পাওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে, আমাদের শারীরিক বাধা অতিক্রম করে কাজ করতে হবে।’ তিনি বলেন যে এটি মানসিক বা শারীরিক যাই হোক না কেন, এটি কোনো অজুহাত হতে পারে না।
তবে শ্রীলীলার কথা হজম করতে কষ্ট হয়েছে অনেকের। তারা সমালোচনার তীরে বিদ্ধ করছেন অভিনেত্রীকে। কারও কথায়, ‘একজন ডাক্তার হয়েও তিনি এটিকে স্বাভাবিক বলছেন, এটা অবাক করার মতো। প্রতিটি শরীরের জন্য পিরিয়ডের অভিজ্ঞতা ভিন্ন হয়।
আরও পড়ুনমন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক








