ভিডিও শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

প্রকাশ : ১৮ মার্চ, ২০২৬, ০৯:৫৫ রাত

পণ্য কিনতে হবে দর কষাকষি করে ও ভালভাবে দেখেশুনে

 শেষ মুহুর্তে ঈদ ঘিরে জমজমাট ভ্যানের দোকান

 শেষ মুহুর্তে ঈদ ঘিরে জমজমাট ভ্যানের দোকান

স্টাফ রিপোর্টার : শহরের মার্কেট ও বিপনী বিতানের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। গড়ে উঠেছে ছোট-বড় শো-রুম। তবে শহরের বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে কেনাকাটায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ভ্যানে কেনাকাটা। ঈদ ঘিরে সন্ধ্যার পর আরও বেশি জমজমাট হয়ে উঠেছে এই ভ্যানে কেনা কাটা। শহরের সাতমাথা থেকে রানার প্লাজার মাঝের রাস্তার দুপাশে এবং শেরপুর রোডে, থানার মোড়ে সন্ধ্যার পর বিভিন্ন পণ্যের প্রায় তিনশ’ দোকান বসেছে। কী নেই এখানে।

জামাকাপড়, জুতা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, বেডকভার, মশারি, পর্দা, জুয়েলারি, ব্যাগ, কসমেটিকস, হস্তশিল্প, রান্না ঘরের খুঁটিনাটি, মোবাইল কাভার, চার্জার থেকে শুরু করে টয়লেট্রিজ পণ্য, সবজি, ফল, মুখরোচক খাদ্য প্রায় সব ধরণের সামগ্রীই কিনতে পাওয়া যায় ভ্যানে।

ব্যস্ত শহরের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে এই ভ্যান মার্কেট। এখানে অনেক ক্ষেত্রে সাধ আর সাধ্যের মধ্যেই কিনতে পাওয়া যায় হরেক পণ্য। আর এই পণ্যগুলো তারা কিনে আনেন ঢাকা  ও সৈয়দপুর থেকে। ভ্যানে শীত মৌসুম তো বটেই ঈদ ঘিরেও জমজমাট হয়ে উঠেছে। পাঞ্জাবি, লুঙ্গি, টি-শার্ট, লেগিংস, প্যান্ট, ক্রপ টপ, ট্যাং টপ, হাফপ্যান্ট, স্কার্ফ, কুর্তিসহ প্রায় পোশাকই পাওয়া যায় ভ্যানে । তবে এসব জামাকাপড় কেনার আগে দাগ, ছেঁড়া, ফাটা ভালো করে দেখে নিতে হবে। অনেক ব্রান্ডের নামের পোশাকও বিক্রি হয় এখানে।

ছোটদের ফ্রক, টপ, প্যান্ট-গেঞ্জির সেট পাবেন ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়। প্রতিটি প্যান্ট ২০০ থেকে ৬০০ টাকা, পাঞ্জাবি ২০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং শার্ট ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের টি-শার্ট পাওয়া যাচ্ছে। এসব দোকানে বিক্রেতারা প্রায় দ্বিগুণ দাম চেয়ে বসে। এ জন্য ভ্যান থেকে কেনাকাটায় দর-কষাকষি করে কিনলে কম দামে ভালো মানের জিনিস কিনতে পাবেন।

শুধুমাত্র পোশাক নয় ভ্যানের ওপর পাওয়া যায় কম দামে পছন্দসই নানা রকম ডিজাইনের জুতা ও সেন্ডল। দেশীয় নকশায় তৈরি এসব জুতার দাম ১৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা। পাওয়া যায় পর্দা, বিছানার চাদর,পাপোশ, আরও পাওয়া যায় সিরামিকের জিনিসপত্র। থালা, বাটি, জগ, মগ, চামচ, পানির পাত্র, নেই কাটার, কয়েল দানি, গা ঘষা,  আয়না চিরুনী, ম্যানিব্যাগ সবই পাওয়া যায় ভ্যানের ওপর। এসব কিনতে পাবেন ৫০ টাকা  থেকে ১২শ’ টাকার মধ্যে।

আরও পড়ুন

ভ্যানের ব্যবসায়ী মিজানুর বলেন, ব্যস্ত মানুষের সময় নেই, সময় বের করে মার্কেটে গিয়ে  প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার। তাই শহরের মূল কেন্দ্রে  যখন তারা কোন না কোন কাজে আসেন তখন চলতি পথেই ভ্যানের ওপর তারা প্রয়োজনীয় পণ্যটি পেয়ে যান। তা তরকারি থেকে শুরু করে  নেইলকাটার কিম্বা মোবাইলের চার্জার হোক না কেন। এজন্য দিনশেষে ব্যবসা মোটামুটি ভালই হয়।

সাতমাথায় কথা হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী মো: আশরাফুল ইসলামের সাথে । তিনি বলেন, আমাদের বেতন বাড়েনি। কিন্তু জীবনযাত্রার মান বেড়ে গেছে। বেসরকারি চাকরি  সবসময় ফিটফাট থাকতে হয়।  তাই একটু কমদামে সব সময় ব্যান থেকেই পোশাক কেনেন তিনি।

ঈদ মার্কেটও তার ব্যতিক্রম নয়। তিনি নিজের এবং ছেলের জন্য টি শার্ট, গেঞ্জি ও পাইজামা কিনলেন । বললেন মার্কেটের চেয়ে বেশ কম পাওয়া যায়। তবে এখান থেকে কিনলে দরদাম করতে হবে এবং দেখেশুনে কিনতে হবে।  কারণ পণ্য ফেরতের  নিশ্চয়তা  কম থাকে এসব দোকানে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঈদের দিনে বৃষ্টির পূর্বাভাস

জবি ছাত্রদল নেতা আশরাফুলের ঈদ সামগ্রী বিতরণ

৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আরেক দফায় কমলো স্বর্ণের দাম

ঈদ উৎসবে নগরবাসীকে শামিলের আহ্বান নাহিদ ইসলামের

ঈদযাত্রায় বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন বন্ধ করতে হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী