ভিডিও শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৫:১৮ বিকাল

বগুড়ার সোনাতলায় বাঙালি নদীর তীরে স্নানের মেলা : উপচে পড়া দর্শকের ভীড়

বগুড়ার সোনাতলায় বাঙালি নদীর তীরে স্নানের মেলা : উপচে পড়া দর্শকের ভীড়

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলায় আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) উপজেলা সদর থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে আড়িয়ারঘাটে বাঙালি নদীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের স্নানের মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মেলায় সোনাতলা উপজেলার পাশাপাশি আশেপাশের উপজেলা থেকে শত শত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা স্নানের মেলায় আসেন। মেলা দেখতে সকল বয়সী উৎসুক জনতার ভিড় ছিল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। ওই স্নানের মেলাকে কেন্দ্র করে নদীর আশেপাশে অসংখ্য খেলনা ও মিষ্টির দোকান বসে।

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বগুড়ার সোনাতলায় বাঙালি নদীর তীরে মাঘী সপ্তমী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি বছর আড়িয়ার ঘাটে মাঘ মাসের সপ্তম তিথিতে মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। শতবর্ষী এই মেলায় দুর-দুরান্ত থেকে ধর্মাবলম্বী পূণ্যার্থীরা পূণ্য লাভের আশায় মাঘী সপ্তমী মেলায় এসে মেলা সংলগ্ন বাঙালি নদীতে পূণ্যস্নানে অংশ গ্রহণ করে থাকেন।

প্রাচীন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে, মাঘী সপ্তমী মেলার দিন মেলা সংলগ্ন বাঙালি নদীতে স্নান করলে অশেষ পূণ্য লাভ করা যায়। মেলায় এসে মাঘ মাসের তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে তারা পূণ্য স্নানে অংশ নিয়েছেন। স্নানে অংশ গ্রহণকারীরা স্নান শেষে চিড়ামুড়ি খেয়ে ভাব গাম্ভির্য্যরে সাথে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেন। মেলার মূল উদ্দেশ্য পূণ্য স্নান।

আরও পড়ুন

মেলা উপলক্ষ্যে ওই নদীর তীরে অসংখ্য খেলনা সামগ্রী, মিষ্টান্ন ও তৈজাসপত্রের পসরা বসে। ওই মেলাকে কেন্দ্র করে দূর-দুরান্ত ও স্থানীয় দর্শকদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। এ বিষয়ে মেলা আয়োজক কমিটির সভাপতি বিকাশ স্বর্ণকার বলেছেন, এবারের মেলাটি শান্তি ও সুষ্ঠ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। উৎসব মুখর পরিবেশে স্নান উৎসবে দূর দুরান্তের শত শত সনাতন ধর্মাবলম্বী পূর্ণার্থী ভক্তরা অংশ গ্রহণ করেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঈদের দিনে বৃষ্টির পূর্বাভাস

জবি ছাত্রদল নেতা আশরাফুলের ঈদ সামগ্রী বিতরণ

৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আরেক দফায় কমলো স্বর্ণের দাম

ঈদ উৎসবে নগরবাসীকে শামিলের আহ্বান নাহিদ ইসলামের

ঈদযাত্রায় বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন বন্ধ করতে হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী