ভিডিও মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৪:১২ দুপুর

বগুড়ার সবজির বাজারেও শীত-ঘনকুয়াশার প্রভাব

বগুড়ার সবজির বাজারেও শীত-ঘনকুয়াশার প্রভাব, ছবি: দৈনিক করতোয়া

স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়ার সবজির বাজারে পড়েছে তীব্র শীত আর ঘনকুয়াশার প্রভাব। শীতকালীন সবজির ভরা মৌসুম চললেও গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় বেশিরভাগ সবজির দাম বেড়েছে। এছাড়াও আমন মৌসুমে শুরুতে বেড়েছে বেশিরভাগ চালের দাম।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বগুড়ার ফতেহ আলী বাজারসহ বেশিরভাগ বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি নতুন আলু মানেভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০, কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ৮০, বেগুন ৫০, টমাটো ও করলা ৮০, সিম ও ফুলকপি ৪০, শশা ৭০, গাজর ৫০, মিষ্টিকুমড়া ৩০, আদা ১৪০ থেকে ১৬০, রসুন ১২০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি সবজির কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত। অথচ প্রকৃতিতে চলছে শীতকালীন সবজির ভরা মৌসুম। প্রতিদিনই সবজির সরবরাহ বেড়ে দাম কমতে থাকার কথা। কিন্তু ঘনকুয়াশার প্রভাবে উল্টো চিত্র বাজারগুলোতে।  

ফতেহ আলী বাজারের সবজি ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম জানান, গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির দাম বেড়েছে। মৌসুমের শুরুতে ফুলকপি প্রতিটি ৫-১০ টাকায় বিক্রি হলেও পাইকারিতে বর্তমানে দাম বেড়ে তা প্রতি মণ ৮শ’ থেকে হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, ঘুনকুয়াশার কারণে বেশিরভাগ সবজির প্রত্যাশিত ফলন পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে স্থানীয় পাইকারি হাট-বাজারগুলোতে সবজির সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ফলে চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ কমায় সবজির দাম কেজিতে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

আরও পড়ুন

এদিকে আমন ধানের ভরা মৌসুম হলেও বেড়েছে বেশিরভাগ চালের দাম। খুচরা পর্যায়ে দুই থেকে তিন টাকা পর্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ চাল। গতকাল বগুড়ার ফতেহ আলী বাজারে প্রতি কেজি রঞ্জিত চাল ৫২ (নতুন), পুরাতন ৫৬ থেকে ৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও বিআর-৪৯ চালের কেজিতে দুই টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে ৬০ টাকা, বিআর-২৮ চাল ৬৫ টাকা, কাটারিভোগ চালের কেজি বাড়তি দাম ৭৫ থেকে ৭৬ এবং নাজিরশাইল চাল ৮৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

আটা প্রতি এক কেজির প্যাকেট ৫৫ এবং ময়দা ৬৫ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। চিনির কেজি ৯৫ থেকে ১১০ টাকা, এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৫ এবং পাঁচ লিটার তেল ৯৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের হালি ৩৮ টাকা, দেশি মুরগির কেজি ৫২০, ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৫০ এবং ককরেল মুরগি ২৫০ টাকায় বেচাকেনা হতে দেখা যায়। গরুর মাংস ৭২০/৭৫০ এবং খাসির মাংসের কেজি এক হাজার থেকে ১১শ’ টাকা। এদিন আড়াই থেকে তিন কেজি ওজনের সিলভার কার্প মাছ প্রতি কেজি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা, তিন কেজি ওজনের কাতল মাছ ৩০০ টাকা এবং দুই কেজি ওজনের রুই মাছ ৩শ’ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা যায়। এছাড়াও টেংরা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০, পাবদা আকারভেদে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বেচাকেনা হতে দেখা যায়। 
 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

দেড় বছর পর ফের চালু ঢাকা-আগরতলা বাস সার্ভিস

বগুড়ায় দু’টি লাচ্ছা সেমাই কারখানায় অভিযান, ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

আজান পর্যন্ত সেহরি খাওয়ার বিধান : শরীয়ত কী বলে?

৫ আগস্টের পর কিছু নিরীহ লোককে আসামি করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেভাবে কাটতো নবী কারিম (সা.)-এর রমজান