জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে সাইদুর মুন্সী (৪৫) নামে এক শিক্ষককে আট বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত হলেন- সাইদুর মুন্সী একই উপজেলার হাতিভাঙ্গা ইউনিয়নের সাকোয়াপাড়া গ্রামের জুরাল মিস্ত্রীর ছেলে।
তিনি স্থানীয় মদিনাতুল উলুম নূরানি মডেল মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাদ্রাসাশিক্ষক সাইদুর মুন্সী ওই শিশুকে ডেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণচেষ্টা করেন।
আরও পড়ুন
এ সময় ঘরের দরজায় শব্দ হলে সাইদুর ঘরের এক কোণে সরে যান। এই সুযোগ পেয়ে শিশুটি কান্না করতে করতে ঘর থেকে বের হয়ে বাড়িতে চলে আসে।
এজাহারে আরও বলা হয়, পরদিন ২৭ এপ্রিল শিশুটির মা মোবাইলফোনে বিষয়টি তার স্বামীকে জানান। পরে তিনি পরিচিত ব্যক্তি ও স্থানীয় সাক্ষীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন। তবে কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিক বাড়ি ফেরার মতো টাকা না থাকায় কিছুটা বিলম্বে ৩০ এপ্রিল বাড়িতে ফেরেন তিনি। এরপর মেয়েসহ পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ৩ মে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর (পিপি) ফজলুল হক বলেন, ধর্ষণচেষ্টার মামলায় সাইদুর মুন্সীকে আট বছরের কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী পাবে। রায়ের সময় আসামি উপস্থিত ছিলেন।