সাফে ২৩ বছরের খরা কাটাতে চায় বাংলাদেশ
স্পোর্টস ডেস্ক : সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ২৩ বছরের অপেক্ষা ঘোচানোর হাতছানি বাংলাদেশের সামনে। সেই ২০০৩ সালে এই ঢাকার মাটিতেই শেষবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল লাল-সবুজের দল। এরপর কেটে গেছে দুই দশকের বেশি সময়। প্রাপ্তির খাতা শূন্য, জমেছে হতাশা আর আক্ষেপ। এবার কি সেই অপেক্ষার অবসান হবে?
প্রশ্নটা শুধু সমর্থকদের নয়, প্রতিপক্ষদেরও। বিশেষ করে প্রতিবেশী ভারত। টুর্নামেন্টের সফলতম দল শিরোপা ধরে রাখার প্রত্যয় নিয়েই ঢাকায় পা রেখেছে। দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেই নিজেদের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে দিয়েছেন কোচ নওশাদ মুসা, ‘সবারই লক্ষ্য থাকে ম্যাচ জেতা এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়া। আমরা অবশ্যই শিরোপা ধরে রাখতে চাই।’
ছয় দলের এই লড়াইয়ে কে এগিয়ে, সেই প্রশ্নে আলোচনায় আসছে বাংলাদেশ ও ভারতই। তবে ভারত পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে ঢাকায় আসেনি। যদিও ইতিহাস মনে করিয়ে দেবে, তারপরও ভারতকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। ২০০৯ সালে অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে খেলেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। তবে এটাও ঠিক, বাংলাদেশও আগের জায়গায় দাঁড়িয়ে নেই। ২০০৯ থেকে ২০২৬—মাঝের দীর্ঘ সময়ে বদলেছে দলের চেহারা, বেড়েছে সামর্থ্য। হামজা-শমিতদের মতো তারকারা এখন বাংলাদেশের জার্সিতে খেলছেন। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও আশার আলো দেখাচ্ছে। গত বছরের ১৮ নভেম্বর ঢাকার মাঠেই এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
আরও পড়ুনভারতের কোচ নওশাদ মুসারও নিশ্চয়ই তা অজানা নয়। যে কারণে বলেছেন, ‘আমার বিবেচনায় এই মুহূর্তে বাংলাদেশই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল। আশা করি, ফাইনালে তাদের মুখোমুখি হব।’
ভারতীয় কোচের কথায় প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান আছে, আছে শিরোপা ধরে রাখার আত্মবিশ্বাসও। তবে বাংলাদেশের কোচ টমাস ডুলির কণ্ঠে যেন আরও স্পষ্ট প্রত্যয়ের সুর। গণমাধ্যমকে বললেন, ‘ভারত কেমন দল নিয়ে এসেছে, সেটা বড় কথা নয়। নিশ্চয়ই তারা শিরোপা জিততে চাইবে। আমাদেরও একই লক্ষ্য। কেউ এখানে হারতে চাইবে না। সবার প্রতি সম্মান রেখেই বলি, এবার আমাদের জেতা উচিত।’
মন্তব্য করুন

_medium_1793785202.jpg)
_medium_1793783256.jpg)
_medium_1793782627.jpg)
_medium_1793776360.jpg)
_medium_1793774302.jpg)
_medium_1793770563.jpg)
_medium_1793789621.jpg)
_medium_1793769404.jpg)
