বগুড়ায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
শহর প্রতিনিধি: বগুড়া মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে পল্টন হত্যাকান্ডের খুনিদের বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে মহানগরের বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের সামনের সড়ক থেকে শুরু হয়ে সাতমাথা বীরশ্রেষ্ঠ স্কয়ার হয়ে কাজীনজরুল ইসলাম সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুলিশ প্লাজার সামনের সড়কে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয় দলটির বিক্ষোভ কর্মসূচী।
বগুড়া মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট আল আমিনের পরিচালনায় সমাপনী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগর আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আবিদুর রহমান সোহেল। বগুড়া মহানগর জামায়াতের শীর্ষ এই নেতা জানালেন, ঢাকার পল্টনে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি বৈঠা তান্ডব ও হত্যাকান্ডের খুনিদের বিচার কার্যক্রম বর্তমান সরকার ত্বরান্বিত করছেন না। শহীদদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। জাতীয় স্বার্থে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দিনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সন্ত্রাস ও হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অতীতের সব রাজনৈতিক সহিংসতা, গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধী যে দলেরই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
এছাড়াও, ২০২৬সালের ১২ফেব্রুয়ারির ভোটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন করলেও পল্টন হত্যাকান্ডের মতো নির্মম ঘটনার বিচার কার্যক্রম শ্লথের জন্য তিনি সরকারের সমালোচনা করেন। গণভোটের গণরায় মেনে নিতে সরকারের প্রতি জোরালো আহবান জানান এই জামায়াত নেতা।
আরও পড়ুনস্টেশনরোডে মিছিল শুরুর আগের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল হাকিম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগর সভাপতি আজগর আলী। এসময় বক্তারা জানালেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক দলের কর্মসূচীতে হামলা ও মানুষ খুনের নজির স্থাপন করেছিল বিগত সরকার। ২০০৬ সালের লগি-বৈঠার ওই নির্মম নির্যাতনে মৃতব্যক্তিদের খুনের দায়ে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন তারা। সমাবেশে অন্যান্যদের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল হাকিম, মাওলানা আব্দুল হালিম, রফিকুল আলম, মাওলানা আব্দুল হালিম বেগ, অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম আকন্দ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন







_medium_1793189773.jpg)

