ভিডিও রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৪১ এএম

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদাকে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও দক্ষ, পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভর হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

‎
‎আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে সাভার সেনানিবাসে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
‎
‎অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে নিজের স্মৃতিচারণ করে তারেক রহমান বলেন, সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি সেনাবাহিনীর পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই স্বীকৃতি সদস্যদের নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে অনুপ্রাণিত করবে। পতাকার মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
‎
‎সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক অবদান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সময়ে এই বাহিনীর সুনাম ও পেশাদার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্র হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের জন্ম-ইতিহাসের সঙ্গে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালের উত্তাল সময়ে ‘উই রিভোল্ট’ উচ্চারণের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তিনি ২৬ মার্চ স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা দেন এবং পরদিন ২৭ মার্চ পুনরায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।
‎
‎প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ সশস্ত্র বাহিনীর গৌরব ও সাফল্যকে বাংলাদেশেরই সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করে।
‎
‎পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ভূরাজনীতি ও সামরিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা পরিবেশ ও যুদ্ধের ধরন প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।
‎
‎তিনি আরও বলেন, দেশের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে অভ্যন্তরীণভাবে প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে।
‎
‎এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশা অনুযায়ী ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ নীতি বাস্তবায়নের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
‎
‎বক্তব্যের শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, জাতীয় আত্মমর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবে না বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় রাখা হবে।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

১

সেনাবাহিনীর ৭ ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

২

মুচলেকায় মুক্তি পেলেন ‘ককরোচপ্রধান’ অভিজিৎ

৩

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযান: ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ৪৯০

৪

ভারতে বেপরোয়া ট্রাকের চাপায় নিহত ১২

৫

রুপালি গিটার ফেলে আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার ৮ বছর

৬