বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ইচ্ছে করলে কি আমার পক্ষে বিদ্যুৎ ৫ কেজি আটকে রাখা সম্ভব? আমি ইচ্ছে করলে বিদ্যুৎ ১০ কেজি খেতে পারব? আমি ইচ্ছে করলে ৫০ কেজি বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারব? যা বিক্রি করা যাবে না, যা আটকে রাখা যাবে না, যা গোপন করা যাবে না—এমন একটা পরিস্থিতি এখন বিদ্যুতের। সেই বিদ্যুৎ আমরা বা তারেক রহমান না দিয়ে আপনাদের কষ্ট দেবে কেন? আবার ধরুন, তারেক সাহেব বিদ্যুৎ দিলেন না, আপনারা সবাই কষ্ট পেলেন। আপনারা বসে সিদ্ধান্ত নিলেন, আপনার তারেক সাহেবকে ভোট দেবেন না। (এতে) তারেক সাহেবের লাভ হলো কি? বিদ্যুতের ব্যাপারে যে পরিস্থিতি তৈরি করে গেছে, সেটা হলো ভয়াবহ পরিস্থিতি। যেটা আপনারা চিন্তাও করতে পারবেন না।’
আরও পড়ুননুরুল ইসলাম মনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি বেশি গভীরে যেতে চাই না। আপনারা আজিজ খানের নাম শুনেছেন সামিট গ্রুপের, শেখ হাসিনার বর্তমানে বেয়াই। তিনি সিঙ্গাপুরের ধনীদের মধ্যে অন্যতম একজন। ৪৫তম ধনী। বিদ্যুতের সব টাকা নিয়ে চলে গেছেন। দ্বিতীয়ত, বিদ্যুৎ যাতে উৎপাদিত না হয় সে ব্যবস্থা করেছে। পাওয়ার প্ল্যান্ট আছে, সেখানে বিদ্যুৎ তৈরি হয় না।’
পায়রা বন্দরের চ্যানেল খননের বিষয় তিনি বলেন, ‘ছয় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পায়রা বন্দরের চ্যানেল খনন করা হয়েছে। খননের আগে গভীরতা ছিল পাঁচ মিটার এবং খনন শেষেও গভীরতা পাঁচ মিটার। অথচ দেশের ছয় হাজার কোটি টাকা নেই।’

নিউজ ডেস্ক








