ভিডিও সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৩:৫০ পিএম

যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে পর্নোগ্রাফির বৈধতা দিচ্ছে ইউক্রেন!

যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে পর্নোগ্রাফির বৈধতা দিচ্ছে ইউক্রেন!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে পর্নোগ্রাফি বৈধ করার উদ্যোগ নিয়েছে ইউক্রেন। দেশটির পার্লামেন্টে উত্থাপিত একটি বিলের মাধ্যমে প্রাপ্তবয়স্ক বিনোদন শিল্পকে বৈধ অর্থনীতির আওতায় এনে বছরে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার কর রাজস্ব আদায়ের আশা করা হচ্ছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিলটির অন্যতম উদ্যোক্তা ও ইউক্রেনীয় পার্লামেন্টের অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান ইয়ারোস্লাভ ঝেলেজনিয়াকের হিসাব অনুযায়ী, সম্ভাব্য এই রাজস্ব দিয়ে প্রায় ৩০ হাজার ড্রোন কেনার অর্থ জোগাড় হতে পারে। বর্তমানে ইউক্রেনে পর্নোগ্রাফি তৈরি, সংরক্ষণ ও বিতরণ আইনত অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দেশটিতে অনলাইন প্রাপ্তবয়স্ক কনটেন্টের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

যুদ্ধের সময়ে সরকার রাজস্ব বাড়াতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রাপ্তবয়স্ক কনটেন্ট তৈরি করা ব্যক্তিদের কাছ থেকে কর আদায়ের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু এতে নতুন আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। কারণ আয় ঘোষণা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এমন কর্মকাণ্ডের তথ্য প্রকাশ হয়ে যাচ্ছে, যা দেশটির প্রচলিত আইনে এখনও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। ঝেলেজনিয়াক পরিস্থিতিটিকে ‘দুঃখজনক ও হাস্যকর’ বলে উল্লেখ করে বলেন, আয় গোপন করলে কর না দেয়ার অভিযোগে মামলা হতে পারে, আবার আয় ঘোষণা করলেও পর্নোগ্রাফি আইনভঙ্গের অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আরও পড়ুন

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ইউক্রেনের প্রায় ৭ হাজার ৯০০ নাগরিক ওনলিফ্যানস থেকে মোট ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলারের বেশি আয় করেন। প্ল্যাটফর্মটির মূল প্রতিষ্ঠান ফেনিক্স ইন্টারন্যাশনালের তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসাব দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে পর্নোগ্রাফির বৈধতা দিচ্ছে ইউক্রেন!

গোলের রেকর্ড গড়ে মেসির পাশে রাফিনিয়া

হরমুজের বাইরেও ‘নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল’ ঘোষণা করছে ইরান

 মোটরসাইকেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে ঢুকে পড়া যুবক ৫ দিনের রিমান্ডে

১৯ বছর বয়সেই ম্যানসিটি ছেড়ে সৌদি লিগে ফ্রান্সের সাঙ্গারে!

‘ইতালিতে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে ভাষা শেখানোর বিষয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে’