গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে খাদ্যগুদামে বোরোধান দিতে পেরে খুশি কৃষক
সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে সরকারি খাদ্য গুদামে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ মৌসুমের আওতায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এ গুদামে সরাসরি ধান দিতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন কৃষকেরা। তবে উৎপাদন খরচের সাথে বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সমন্বয় করে ধানের সরকারি ক্রয়মূল্য আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
কৃষকরা জানান, সরকারি খাদ্যগুদামে সরাসরি ধান বিক্রির সুযোগ থাকায় মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমেছে। নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ধান সরবরাহ করে মূল্য পাওয়ায় অনেক কৃষক সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
খাদ্য অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী, কৃষকের আবেদন, অনুমোদন ও গুদামে ধান সরবরাহের বিভিন্ন ধাপ অনলাইনে পরিচালনার সুযোগ রয়েছে। তবে কৃষকদের অভিযোগ, সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকের মজুরি, সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় ধান উৎপাদনে তাদের ব্যয়ও বেড়েছে। ফলে বর্তমান সরকারি ক্রয়মূল্যে কাঙ্খিত লাভ হচ্ছে না।
আরও পড়ুনজানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে সাদুল্লাপুর খাদ্যগুদামে বোরো সিদ্ধ চালের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৬৩৯ মেট্রিক টন। এর মধ্যে অর্জন হয়েছে ৩ হাজার ২৭০ মেট্রিক টন। একইসাথে আতপ চালের লক্ষ্যমাত্রা ১৮৮ মেট্রিক টনের মধ্যে অর্জন হয়েছে ১২০ মেট্্িরক টন এবং ধান ৭৪৪ মেট্রিক টন লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হলে তা শতভাগ অর্জন হয়। বোরো ধান ও চাল সংগ্রহকালীন সময়ের অনুমোদিত বাজার দরের নিরিখে সিদ্ধ চাল প্রতি কেজি ৪৯ টাকা, আতপ চাল প্রতি কেজি ৪৮ টাকা এবং প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা নির্ধারণপূর্বক সংগ্রহ করা হয়।
নলডাঙ্গা খাদ গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খাইরুল হাসান জানান, নির্ধারিত তারিখের মধ্যে ধান-চালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। যথা নিয়মে কৃষকরা ধান দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত।
সাদুল্লাপুর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিহাবুন সাকিব জানান, প্রান্তিক কৃষকদের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করে থাকি। সরকার সবসময় কৃষকদের পাশে আছে।
মন্তব্য করুন

_medium_1786891303.jpg)






_medium_1786886079.jpg)
