প্রথমার্ধেই কুরাসাওয়ের জালে তিন গোল দিয়েছিল জার্মানি। বিরতির পর আরও ভয়ংকর রূপ ধারণ করে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ পর্যন্ত কুরাসাওকে ৭–১ গোলে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে ইউরোপের পরাশক্তি দলটি। এই ম্যাচের মাধ্যমে যেন ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে ৭–১ গোলে হারানোর সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দেয় জার্মানি। ৫২তম মিনিটে ইয়োশুয়া কিমিখের নিখুঁত পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করেন জামাল মুসিয়ালা। তাঁর গোলে ব্যবধান আরও বাড়ে।
এরপর কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ যেন একের পর এক জার্মান আক্রমণের সামনে অসহায় হয়ে পড়ে।
৬৮তম মিনিটে আক্রমণে উঠে এসে দলের পঞ্চম গোলটি করেন লেফটব্যাক নাথানিয়েল ব্রাউন। ১০ মিনিট পর ডেনিজ উনদাভ গোল করে স্কোরলাইন নিয়ে যান ৬–১-এ।
আরও পড়ুন
তবু থামেনি জার্মানি। ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে কাই হাভার্টজ নিজের দ্বিতীয় এবং দলের সপ্তম গোলটি করে ফিরিয়ে আনেন ২০১৪ বিশ্বকাপের স্মৃতি।
সেবার সেমিফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিলকে ৭–১ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল জার্মানি। এবার একই ব্যবধানে হার মানল বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কুরাসাও।
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলেই রেখেছিল জার্মানি। বড় এই জয় দিয়ে শুধু তিন পয়েন্টই নয়, শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে শক্ত বার্তাও ছুড়ে দিল জার্মানরা।