যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা
নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুদ্ধবিরতির আলোচনার মধ্যেই ইরানের হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপ ও তেলবাহী ট্যাংকার জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে থাকা ওয়াশিংটনের একাধিকবার সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তেহরান।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপে এই হামলা চালানো হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ইরানের হামলা জবাব হিসেবে।
অন্যদিকে, ১৩ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া হরমুজ প্রণালিতে ওয়াশিংটনের নৌ অবরোধের অংশ হিসেবে তারা ইরানের দিকে অগ্রসরমান একটি খালি তেল ট্যাংকারে আঘাত হেনে সেটিকে অচল করে দেওয়ার দাবি করেছে।
সেন্টকম আরও জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে চালানো হামলায় একটি ইরানি সামরিক গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের পাঠানো তিনটি আক্রমণকারী ড্রোনও ভূপাতিত করেছে, যেগুলো আঞ্চলিক জলসীমায় আইনসম্মতভাবে চলাচলকারী বেসামরিক নাবিকদের লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল।
এছাড়া মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের ওপর ‘আত্মরক্ষার্থে’ হামলা চালিয়েছে এবং জাহাজ ও উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
ইরান বলেছে, প্রতিশোধের অংশ হিসেবে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে একটি ‘আঞ্চলিক দেশে’ যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুনতেহরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী সামরিক বাহিনীকে চড়া মূল্য দিতে হবে।
এর প্রতিক্রিয়ায় সেন্টকম জানিয়েছে, তেহরান কুয়েতের দিকে দুটি এবং বাহরাইনের দিকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যেগুলোর সবগুলোই হয় ভেঙে পড়েছে অথবা প্রতিহত করা হয়েছে।
কয়েকমাস ধরে চলা যুদ্ধবিরতি আলোচনা থমকে যাওয়ার মধ্যেই সর্বশেষ এই হামলাগুলো ঘটল।
সূত্র: বিবিসি
মন্তব্য করুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক







