ভিডিও বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৭ মে, ২০২৬, ০৩:২৪ দুপুর

শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ড

তথ্য লুকাতে ভূমিকা ছিল সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর : চিফ প্রসিকিউটর

তথ্য লুকাতে ভূমিকা ছিল সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর : চিফ প্রসিকিউটর, ছবি: সংগৃহীত।

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মৃত্যুর তথ্য লুকাতে ভূমিকা ছিল সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর। এ ঘটনাকে পরিকল্পনামাফিক ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছিলেন তারা। 

আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন, শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞে ইন্টারনেট বন্ধ, দুটি টেলিভিশন চ্যানেল বন্ধসহ সেদিন যারা ভূমিকা রেখেছেন, তারাও আসামি হবেন। আগামী ১৪ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ নির্দেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মহিতুল হক এনাম চৌধুরী। এদিন ট্রাইব্যুনালে সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যুর আবেদন করে প্রসিকিউশন।

আরও পড়ুন

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন দীপু মনি। ওই দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা একদল উশৃঙ্খল মানুষকে নির্মূল করেছেন বলে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করেন তিনি। এছাড়া শুরু থেকেই হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশকে উসকানিমূলক হিসেবে একাত্তর টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রচার করেন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু। শুনানি শেষে তাদের হাজির করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৪ মে দিন ধার্য করা হয়। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আগামী ৭ জুন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন ছয় আসামি। তারা হলেন-সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তথ্য লুকাতে ভূমিকা ছিল সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর : চিফ প্রসিকিউটর

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

সরকার গড়তে আসা বিজয়কে ফিরিয়ে দিলো রাজ্যপাল

সাগর-রুনি হত্যা মামলা : ১২৬তম বারেরমত পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ

পাকিস্তানের বিপক্ষে নাহিদ রানা দারুণ কিছু করবে : শান্ত

ওয়াশিংটনের প্রস্তাব নিয়ে ইরান এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি : ইসমাইল বাঘাই