বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচন
প্রচারণার ডামাডোলে মাদকসেবীদের আস্তানা বগুড়া সাতমাথার ‘বীরশ্রেষ্ঠ স্কয়ার’
স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়া-৬ (সদর) আসনের নির্বাচনি প্রচারণার ডামাডোলে মাদকসেবীদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে শহরের সাতমাথার ‘বীরশ্রেষ্ঠ স্কয়ার’। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর ব্যানার ও প্যানায় গোল চত্বরটি কয়েক স্তরে এমনভাবে ঢেকে ফেলা হয়েছে, যাতে মাদকসেবী ও অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। ভিতরের গোল চত্বরটি সম্পূর্ণ লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যাওয়ায়, রাতের সাথে দিনের বেলাতেও চলছে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ড।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ‘বীরশ্রেষ্ঠ স্কয়ার’টিকে ঘিরে স্টেইনলেস স্টিল (এসএস) বার দিয়ে নতুন করে যে নিরাপত্তা বেষ্টনিটি তৈরি করা হয়েছে তার চারপাশে বিএনপি প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা ও জামায়াত প্রার্থী আবিদুর রহমানের ব্যানার দিয়ে ঘিরে ফেলে ভিতরের অংশটিকে ঢেকে ফেলা হয়েছে।
ভিতরের ফাঁকা অংশটি সম্পূর্ণ লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যাওয়ায় মাদকসেবী কিশোর-কিশোরীরা অবাধে এখানে মাদকসেবনসহ অসামাজিক কাজে লিপ্ত হচ্ছে। দিনের বেলায় এসব অপরাধমূলক কর্মকান্ড চললেও তা থেকেই যাচ্ছে সবার আড়ালে।
আরও পড়ুনসন্ধ্যা থেকে রাত যতো গভীর হয় এখানে অপরাধের ধরণ ততো পাল্টে যায়। আর এসব কিশোর-কিশোরী শহরজুড়ে প্রকাশ্যে মাদকসেবন পর আড়াল পেয়ে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। রাতে এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ চালানোরও অভিযোগ রয়েছে।
শহরের প্রাণকেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনী তৎপর থাকলেও এসব অপরাধমূলক কর্মকান্ড চলায় জনমনে তা প্রশ্ন তুলেছে। উল্লেখ্য, উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার খ্যাত বগুড়া জেলার প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা। বগুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকা ও উত্তরের অনেক জেলার সংযোগ রাস্তাও যুক্ত হয়েছে সাতমাথার সাতটি রাস্তার মাধ্যমে।
ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির চারণভূমি সাতমাথার সৌন্দর্য্য বাড়ানোর জন্য জোট সরকারের আমলে সড়ক ও জনপদ বিভাগ ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে এখানে নির্মাণ করে ‘বীরশ্রেষ্ঠ স্কয়ার’। ২০০৪ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচির তারেক রহমান এটির উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন






