ভিডিও শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৪৮ দুপুর

নওগাঁর সাপাহারে সরকারি খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ

নওগাঁর সাপাহারে সরকারি খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, ছবি: দৈনিক করতোয়া ।

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর সাপাহার উপজেলার অদূরে সাপাহার-পত্নীতলা সীমান্তের কুচিন্দা খাল দখলসহ পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে অবৈধভাবে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাপাহার-আগ্রাদ্বিগুণ সড়কের কুচিন্দা ব্রিজের পূর্ব ও পশ্চিম পাশে খালে সরকারি জায়গা দখল করে এই নির্মাণ কাজ চলায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে উজানে অন্তত ৭-৮টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুচিন্দা ব্রিজের দুই পাশে খালের জমিতে কনক্রিটের পিলার ঢালাই করে ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। স্থানীয়রা জানান, এই খালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পত্নীতলা ও সাপাহার উপজেলার বৃষ্টির পানি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এই খাল দিয়েই প্রবাহিত হয়। এখন যেভাবে দখল করে ভবন তোলা হচ্ছে, তাতে পানির গতিপথ সরু হয়ে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় কৃষক রহিম উদ্দিন বলেন, এই খাড়িটা আমাদের এলাকার প্রাণ। বর্ষাকালে ভারতের পানি আর আমাদের মাঠের পানি এই পথ দিয়েই ভাটির দিকে নেমে যায়। এখন যদি খাড়ি বন্ধ করে ঘর অট্টালিকা গড়ে তোলা হয়, তবে আমাদের আবাদি জমি তো ডুববেই সাথে আশে পাশের বাড়িঘরেও পানি উঠবে। বিষয়টি দ্রুত গতিতে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যাস্থা গ্রহণের জন্য আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল জলিল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি জায়গা এভাবে মগের মুল্লুকের মতো দখল করে ভবন তোলা হচ্ছে, অথচ দেখার কেউ নেই। প্রভাবশালীরা খালের ওপর কনক্রিটের ঢালাই দিচ্ছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে সামনের বর্ষায় এই এলাকার ৭-৮টি গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন

এবিষয়ে ব্রিজের পূর্ব পাশের দখলদার পার্শ্ববর্তী পত্নীতলার বটতলী গ্রামের কফিল উদ্দীনের ছেলে ফিরোজ কবিরের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার বাড়ি অন্য উপজেলায় হওয়ায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এবিষয়ে সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোমানা রিয়াজের সাথে কথা হলে তাৎক্ষণিক দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে ঘটানাস্থল পরিদর্শনের জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। এসিল্যান্ড ছুটিতে থাকায় তিনি সদর ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) তারেক হোসেনকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তাৎক্ষণিক তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।

 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নওগাঁর সাপাহারে সরকারি খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ

ইসরায়েলি ড্রোন ও শিল্প কারখানায় ইরানের ভয়াবহ হামলা

সাক্ষাৎকারের চাপে ক্লান্ত কুড়িগ্রামের কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাজু

গাইবান্ধার সাঘাটায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রসালো ও মিষ্টি তরমুজ চেনার উপায়

ওমরাহ শেষে আজ দেশে ফিরবেন নাহিদ ইসলাম