বিয়ে করলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা আবু বাকের
রাজনীতির রাজপথ থেকে এবার জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক আবু বাকের মজুমদার।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাজধানী ঢাকায় পারিবারিকভাবে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক।
দুই পরিবারের সম্মতিতে ঘরোয়া পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এই বিয়েতে কনে হিসেবে ছিলেন রাফিয়া রেহনুমা হৃদি। রাজনীতির মাঠের সহযোদ্ধা হৃদি নিজেও একজন পরিচিত মুখ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থী বাংলাদেশ কুয়েত-মৈত্রী হল সংসদের ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমানে তিনি জাতীয় ছাত্রশক্তির সিনিয়র সহ-সভাপতি। জুলাইয়ের সেই উত্তাল দিনগুলোতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে রাজপথে সম্মুখভাগে দেখা গেছে তাকে।
আরও পড়ুনআবু বাকের মজুমদার নিজেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের একই বর্ষের ছাত্র এবং বর্তমানে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়ন করছেন। কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার এক রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা বাকেরের শৈশব কেটেছে লড়াই আর আদর্শের গল্প শুনে। বাবা মোজাম্মেল হোসেন মজুমদার ব্যবসায়ী এবং বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
শিক্ষাজীবনে নানা চড়াই-উতরাই পাড়ি দিতে হয়েছে বাকেরকে। বিসিআইসি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর ফজলুল হক মুসলিম হলে ওঠেন তিনি। তবে বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ছাত্রলীগ কর্তৃক হল ছাড়া হতে হয়েছিল তাকে। দীর্ঘ লড়াই আর গণঅভ্যুত্থানের পর আবারও নিজের প্রিয় হলে ফিরেছেন এই ছাত্রনেতা।
এর আগে তিনি গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নতুন এই পথচলায় ছাত্ররাজনীতির সহকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই দম্পতিকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত করছেন। লড়াইয়ের ময়দান থেকে শুরু হওয়া এই পরিচয় এবার রূপ নিল স্থায়ী এক বন্ধনে।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক


_medium_1775225077.jpg)


_medium_1775221065.jpg)


