ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদ আটক
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাতে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
বুধবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে ডিবির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তবে কোন মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
জানা গেছে, ডিজিএফআই’র এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পতিত আওয়ামী লীগ আমলে বাহিনীকে রাজনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত করা, জঙ্গি নাটকের প্রবর্তন, দুর্নীতির মাধ্যমে জলসিঁড়ি আবাসনের শতকোটি টাকা আত্মসাৎ, আয়নাঘরের সৃষ্টি এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের ক্ষমতা অপব্যবহার করে হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুনলেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদ (অব.) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কর্পসের একজন অবসরপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তিনি ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআই’র মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিএউপি) ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসা, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন অনুসন্ধান শুরু করে প্রায় দেড় বছর আগে।
২০২৫ সালের ২২ মে শেখ মামুন খালেদ, তার স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদসহ চারজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব ওই আদেশ দেন।
নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, বিডিআরের নারকীয় হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে খুনে বাহিনীতে পরিণত করতে মামুন খালেদ অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সাথেও তার বিশেষ সম্পর্ক থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক

_medium_1774464140.jpg)




_medium_1774463306.jpg)

