দিনাজপুরে টেইলার্সের দোকানে বেড়েছে ব্যস্ততা
দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: কয়েক বছর তৈরি পোশাকের উপর মানুষ ঝুঁকে পড়ায় কদর কমেছিলো টেইলার্সের দোকানগুলোর। ঈদের সময় আমরা এক প্রকার অলস সময় কাটাতাম। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে আবারও মানুষ ঝুঁকছে নিজের ইচ্ছামতো ডিজাইনে পোশাক তৈরিতে। এজন্য মানুষ ভিড় করছে টেইলার্সের দোকানগুলোতে। আমাদেরও বেড়েছে ব্যস্ততা।
আজ রোববার (১৫ মার্চ) দৈনিক করতোয়ার এই প্রতিবেদকের কাছে এমনই কথা জানাচ্ছিলেন দিনাজপুর শহরের মালদহপট্টি এলাকার মাসু টেইলার্স এন্ড থ্রি-পিস কালেকশন লেডিস এন্ড জেন্টস টেইলার্স-এর স্বত্বাধিকারী ফ্যাশন ডিজাইনার মোছা: মাসুদা খাতুন।
মাসুদা খাতুন বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরে গতবছর কাজকর্ম কম ছিলো। ঈদের আগের দিনও অর্ডার নিয়েছি। কিন্তু এবার কাজের চাপ বেড়েছে। মানুষ নিজের পছন্দের ডিজাইন মত পোশাক তৈরিতে ভিড় করছে টেইলার্সের দোকাগুলোতে। কাজের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ১০ রোজার পর অর্ডার নেয়া বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছি। যেসব অর্ডার নিয়েছি-সেসব কাজ করতেই এখন হিমসিম খাচ্ছি।
শুধু মাসুদা খাতুনের টেইলার্স নয়, ঈদ ঘনিয়ে আসায় ব্যস্ততা বেড়েছে দিনাজপুরের প্রায় সব টেইলার্সের দোকানগুলোতে। শহরের মালদহপট্টির এলাকার আইডিয়াল টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী শাহিনুর ইসলাম শাহিন বলেন, এবার রোজার শুরু থেকেই মানুষের ভিড় বেড়েছে। মানুষ আবার পোশাক তৈরির জন্য টেইলার্সের দোকানগুলোতে ভিড় করছে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই যা অর্ডার পেয়েছি, ঈদের আগে সেগুলো বুঝে দিতে পারলেই বাঁচি।
আরও পড়ুনদিনাজপুর শহরের বাহাদুর বাজার, মালদহপট্টি এলাকার বিভিন্ন মার্কেট ও টেইলার্স ঘুরে দেখা যায়, থান কাপড়ের দোকানে যেমন ভিড়, তেমনি টেইলার্সগুলোতেও ব্যস্ততা। খটখট আওয়াজে মুখরিত টেইলার্সের দোকানগুলো। একদিকে সেলাই মেশিনের খটখট আওয়াজ আর অন্য পাশেই চলছে মাপ অনুযায়ী কাপড় কাটা। ফরমায়েশ নেওয়া হচ্ছে নতুন পোশাকের।
বিরতিহীন সেলাই মেশিনের যান্ত্রিক শব্দ বলছে, দম ফেলার ফুরসত নেই কারিগরদের। আর এ ব্যস্ততা চলবে চাঁদরাত পর্যন্ত। ক্রেতারা জানান, রেডিমেড পোশাকের চেয়ে বানানো পোশাকের কাপড় ও ফিটিং ভালো হয়। তাই দর্জির দোকানে আসেন অনেকে।
মন্তব্য করুন

_medium_1773580823.jpg)
_medium_1773580533.jpg)


-69b6985bda521_medium_1773579139.jpg)



