ভিডিও বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৫৬ বিকাল

নারায়ণগঞ্জে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেলো বাবার

নারায়ণগঞ্জে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেলো বাবার

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে দুলাল মিয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ছেলেকে বাঁচাতে গেলে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার রাত ৯টায় বন্দরের পশ্চিম কেওঢালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুলাল মিয়া ওই এলাকার জসিম মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া। তিনি পেশায় মাছ ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে।

নিহতের ছেলে ওসমান গনি গণমাধ্যমকে জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি বাড়ির ছাদে অবস্থান করছিলেন। এ সময় সাজিত নামের এক কিশোর বাড়ির সীমানা প্রাচীর বেয়ে ছাদে উঠে তাকে পিঠে চড়-থাপ্পড় দেয়। তিনিও দুষ্টুমি করে সাজিতকে থাপ্পড় দেন। বিষয়টি সাজিত তার পরিবারের কাছে মারধরের কথা জানায়। পরে সাজিতের পরিবারের লোকজন দল বেঁধে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে কয়েক দফা মারধর করে। পরে বাড়ির মালিক বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

আরও পড়ুন

 

ওসমান গনি জানান, এরপর রাত ৮টার দিকে সাজিতের পরিবারের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আবারও হামলা করে। তাকে মারধর করতে থাকে। এ সময় তাকে রক্ষা করার জন্য তার বাবা (দুলাল মিয়া) এগিয়ে এলে তাকেও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে স্থানীয়রা বাবাকে উদ্ধার করে প্রথমে কাছের একটি পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বন্দর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

এ ব্যাপারে বন্দর থানার এসআই তৌহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মারামারিতে দুলালকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেলো বাবার

৭ মাস পর শুটিংয়ে ফিরলেন নিলয় আলমগীর

বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ থেকে ১০৭ শিক্ষার্থীর বৃত্তি লাভ 

সোনাতলায় নদীর তলদেশে ধান চাষ

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালীদের যোগসূত্র ছিল: জামায়াত আমির

'ধর্মঘটের' ডাক আর্জেন্টাইন ক্লাবগুলোর