ভিডিও শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৩৯ বিকাল

সোনাতলায় নদীর তলদেশে ধান চাষ

সোনাতলায় নদীর তলদেশে ধান চাষ

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার সোনাতলায় আবাদি জমিতে বসতবাড়ি কিংবা পুকুর খনন করা হচ্ছে। এতে করে এ উপজেলায় দিন দিন কমে যাচ্ছে আবাদি জমির পরিমাণ। তাই কৃষকেরা খাদ্য ঘাটতি এড়াতে ও পারিবারিক স্বচ্ছলতার জন্য শুষ্ক মৌসুমে নদীর তলদেশজুড়ে বিস্তীর্ণ এলাকায় ইরি-বোরো ধান চাষ করছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এক সময় সোনাতলায় প্রায় ২৫ হাজার ২২০ হেক্টর আবাদি জমি ছিল। বর্তমানে রয়েছে ১৩ হাজার ৩৪০ হেক্টর। দিন দিন ওই উপজেলায় আবাদি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এতে করে এক সময় ওই উপজেলায় খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই কৃষক নদী-নালা, খাল-বিল ও পুকুর-জলাশয়ে শুষ্ক মৌসুমে ধান চাষ করতে দেখা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিনিয়ত এ উপজেলায় কোথাও না কোথাও ফসলি জমিতে পুকুর খনন কিংবা বসতবাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়াও ওই উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে যমুনা ও বাঙালি নদী। প্রতি বছর নদীর অব্যাহত ভাঙনে শত শত একর আবাদি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এটি আবাদি জমি কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন

গতকাল সরেজমিনে উপজেলার কাবিলপুর, গড়চৈতন্যপুর, আড়িয়ারঘাট, মধুপুর, রংরারপাড়া, সাতবেকী, হলিদাবগা, নিশ্চিন্তপুর, শ্যামপুর, পূর্ব সুজাইতপুর, মির্জাপুর এলাকায় গিয়ে নদীর তলদেশে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ধান চাষ করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, দিন দিন যেভাবে জমিতে বসতবাড়ি ও পুকুর খনন করা হচ্ছে, এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে সংশ্লিষ্ট উপজেলায় খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই এ উপজেলার কৃষকেরা সম্প্রতি কিছু অনাবাদি জমি, নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুরের তলদেশে ধান চাষ শুরু করেছে। বিশেষ করে এই ধরনের জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়ে থাকে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

লেবাননের ১৪ এলাকা থেকে বাংলাদেশিদের সরে যাওয়ার নির্দেশ

শ্রমিক নিয়োগে ‘জিরো কস্ট’ নীতি, মালয়েশিয়ার বাজারে ফিরছে বাংলাদেশ

প্রতিশোধ নিতে আমরা বদ্ধপরিকর: মোজতবা খামেনি

হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ে চীনা মুদ্রা নিচ্ছে ইরান

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু আজ

আজ ২৪ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়