ভিডিও বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০১:১৯ দুপুর

এবারও জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

এবারও জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা, ছবি: সংগৃহীত।

রমজানে এবছরও বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও (২০২৫) সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার একই ছিল।

আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় ১৪৪৭ হিজরি সনের ফিতরার এ হার নির্ধারণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। এতে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের ফিতরার হার জানান।

সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ মতে মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনির-যে কোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা এর বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করতে পারবেন। গম ও আটার ক্ষেত্রে এর পরিমাণ এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’)। খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের (এক সা’) মাধ্যমে সাদকাতুল ফিতর (ফিতরা) আদায় করতে হয়। এসব পণ্যের বাজার মূল্য হিসাব করে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়।

আরও পড়ুন

মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক জানান, উন্নতমানের আটা বা গমের ক্ষেত্রে ফিতরা এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’) বা এর বাজার মূল্য ১১০ টাকা (প্রতি কেজি ৬৫ টাকা ধরে)। যবের ক্ষেত্রে (এক সা’) ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা ফিতরা দিতে হবে (প্রতি কেজি ১৮০ টাকা ধরে)। এছাড়া প্রতি কেজি ৮০০ টাকা ধরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম কিসমিস বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৬৪০ টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করা যাবে। খেজুরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৪৭৫ টাকা (প্রতি কেজি ৭৫০০ টাকা ধরে) ও পনিরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৮০৫ টাকা (প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা ধরে) দিয়ে ফিতরা আদায় করতে হবে বলে জানান কমিটির সভাপতি।

ফিতরার পণ্যের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। সে অনুযায়ী স্থানীয় মূল্য পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে বলেও জানান আবদুল মালেক। আব্দুল মালেকের পক্ষে বক্তব্য পাঠ করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ। কোনো ব্যক্তি (ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময়) নেছাব পরিমাণ (সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ তোলা রুপার সমপরিমাণ) মালের মালিক হলে ঈদের দিন সকালে তার ওপর নিজের, নাবালক সন্তানসহ নির্ভরশীলদের সাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব হয়। ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে ফিতরা আদায় করতে হয়। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এবারও জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বাবার বাড়ির শয়ন ঘরে মেয়ের আত্মহত্যা

জামায়াতের ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত

শহিদ সেনাসদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর

যুবলীগ নেতা সম্রাটের ২০ বছর কারাদণ্ড

নির্বাচনী তহবিলের অর্থ ফেরত দেওয়ার ঘোষণা ডা. জারার