ভিডিও রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ২০২৬

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১১ রাত

রংপুর-১ আসনে বড় ব্যবধানের জয় তিস্তা ও কর্মসংস্থান বড় চ্যালেঞ্জ

রংপুর-১ আসনে বড় ব্যবধানের জয় তিস্তা ও কর্মসংস্থান বড় চ্যালেঞ্জ

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-১ আসনের ফলাফল শুধু ভোটের ব্যবধানেই নয়, ভবিষ্যৎ রাজনীতি ও উন্নয়ন ভাবনায়ও নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। এ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াই হয়েছে দুই বড় দলের মধ্যে। তিনজন প্রার্থী নির্ধারিত ভোট না পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল আহসান বেসরকারিভাবে ফল ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার ২২৭ ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৫৭টি। বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ২৩ হাজার ১৪৪। আসনটিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রায়হান সিরাজী ১ লাখ ৪৭ হাজার ২৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোকাররম হোসেন সুজন পান ৬৯ হাজার ১৩১ ভোট। প্রায় ৭৮ হাজার ভোটের ব্যবধান স্থানীয় রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।

রংপুর-১ আসনের ভোটারদের কাছে তিস্তা নদী অন্যতম প্রধান ইস্যু। নদীভাঙন, শুস্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষায় বন্যা এই তিন সমস্যাই দীর্ঘদিনের। স্থানীয়দের মতে, নতুন সংসদ সদস্যের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও নদী ব্যবস্থাপনা। এ নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য ছিল।

আরও পড়ুন

স্থানীয়ভাবে শিল্পকারখানা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ কম থাকায় যুবকদের একটি বড় অংশ কাজের সন্ধানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যেতে বাধ্য হন। ফলে নতুন সংসদ সদস্যের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিতে কর্মসংস্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এ ক্ষেত্রে দৃশ্যমান উদ্যোগ না নিলে আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে পারে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, সিটি করপোরেশনের ১-৯ নম্বর ওয়ার্ডে তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও গঙ্গাচড়ার গ্রামাঞ্চলে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। সংগঠনভিত্তিক ভোট ও তৃণমূল যোগাযোগই এ ব্যবধানের মূল কারণ বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতারা। পরাজিত বড় দলটির জন্যও এ ফলাফল আত্মসমালোচনার বার্তা হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

সংগঠন শক্তিশালী করা, তৃণমূলের সাথে যোগাযোগ বাড়ানো এবং স্থানীয় ইস্যুতে সক্রিয় হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলছেন তারা। গত শুক্রবার রাতে সরকারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে মো. রায়হান সিরাজীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। এখন ভোটারদের প্রত্যাশা নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে রংপুর-১ আসনে উন্নয়নের নতুন ধারা সূচিত হবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রংপুর-১ আসনে বড় ব্যবধানের জয় তিস্তা ও কর্মসংস্থান বড় চ্যালেঞ্জ

ভারতে পাচার হওয়া রেজাউল ২৫ বছর পর নিজ গ্রামে ফিরল

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দেয়াল চাপা পড়ে শিশুর মৃত্যু

দিনাজপুর জেলায় জামানত হারালেন ২৭ প্রার্থী

ত্রয়োদশ নির্বাচনের মাধ্যমে পুলিশ মর্যাদা ফিরে পেয়েছে: প্রেস সচিব

শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা আসছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী