দাঁড়িপাল্লার পক্ষে প্রচার করায় সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছি: ডা. মিতু
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার পর থেকেই সাইবার বুলিং ও অনলাইন হেনস্তার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান তিনি।
বিজ্ঞপ্তিতে ডা. মাহমুদা মিতু জানান, জামায়াতকে সমর্থন দিয়ে দাঁড়িপাল্লার প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অনলাইনে কুৎসা, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।
তিনি দাবি করেছেন, এ সাইবার আক্রমণের মাত্রা আগের তুলনায় প্রায় ১০০ গুণ বেড়েছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষা, চরিত্রহননমূলক মন্তব্য এবং হুমকি দেয়া হচ্ছে, যা শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নয়, একজন নারী হিসেবেও তাকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এ হেনস্তার পেছনে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তির কর্মী ও সমর্থকদের সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার দলের কর্মীদের ন্যূনতম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হচ্ছেন এবং এসব অনলাইন আক্রমণের নৈতিক দায় এড়াতে পারেন না।
আরও পড়ুনএকজন নারী নেতা হিসেবে দক্ষিণাঞ্চলে তার সক্রিয়তা, মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান উপস্থিতি এবং জামায়াত-সমর্থিত জোটের পক্ষে দাঁড়িপাল্লার প্রচারণায় যুক্ত হওয়াই তাকে উদ্দেশ্য করে আক্রমণের মূল কারণ। নির্বাচনি পরিবেশে নারী প্রার্থীদের ভয় দেখানো ও মনোবল ভাঙার কৌশল হিসেবেই এ সাইবার বুলিং ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি।
ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, জামায়াতকে সাপোর্ট দিয়ে দাঁড়িপাল্লার প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার পর থেকেই আমার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের নোংরামি আর সাইবার বুলিং ভয়াবহভাবে বেড়েছে। আমার প্রতি করা প্রতিটি হ্যারাসমেন্ট ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের দায় যারা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে না, তাদের এ দায় নিতে হবে।
ডা. মাহমুদা মিতু জানান, তিনি এসব সাইবার সহিংসতার বিরুদ্ধে আইনগত ও সামাজিকভাবে প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারী রাজনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক








