ভিডিও বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৬:৪১ পিএম

দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু : আমদানি ছাড়াও দেশী নারিকেল পর্যাপ্ত মজুদ করায় দাম কমেছে

দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু : আমদানি ছাড়াও দেশী নারিকেল পর্যাপ্ত মজুদ করায় দাম কমেছে

স্টাফ রিপোর্টার : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে। উৎসব মানেই খানাপিনার আয়োজন। আর পূজার খাবার মানেই সুস্বাদু-মুখরোচক সব আয়োজন। থাকে নানা ধরনের মিষ্টান্ন। দুর্গাপূজায় বানানো হয় নানা ধরনের নাড়ু, মোয়া, পায়েশ, সন্দেশ।

তার মধ্যে নারকেলের নাড়ু, নারকেল গুড়ের সন্দেশ না থাকলে যেন জমে না পূজার ভোজ। এছাড়াও মন্দিরেও পূজার আচারে প্রচুর নারকেলের প্রয়োজন হয়। এ্জন্য অন্যান্য সময়ের চেয়ে এসময় এর চাহিদা বারে কয়েক গুণ। তবে এবছর প্রচুর ভারতীয় নারিকেল আমদানি হওয়ায় গত বছরের তুলনায় দাম কিছুটা কম বলে জানিয়েছেন ক্রেতা এবং বিক্রেতা।

দুর্গাপূজায় হিন্দুধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে নাড়ু-মোয়া বানানোর প্রচলন দীর্ঘদিনের। তাই তো নাড়ু বানানোর অন্যতম উপকরণ নারকেলের চাহিদা বেড়ে যায়। উৎসবে অতিথি আপ্যায়নের খাদ্য তালিকায় অন্যতম প্রধান মুখরোচক খাবার হচ্ছে নারিকেলের নাড়ু, মোয়া এছাড়া নারিকেল দিয়ে পায়েশসহ তৈরি করা হয় নানা স্বাদের খাবার।

কাজেই পূজা উৎসবে নারিকেলের জুড়ি নেই। তাই পূজার কয়েকদিন আগে থেকেই কদর বেড়েছে নারিকেলের। ক্রেতারা ছুটছেন দোকানে, দরদাম করে কিনছেন নারিকেল। নারিকেলের পাশাপাশি কেনা বেচায় কদর বেড়েছে তিল, চিড়া ও গুড়ের দোকানেও।

আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) বুধবার বগুড়ার নারিকেলের দোকানগুলোতে সাধারণ ক্রেতাদের ভীড় বেশি। পুরুষ ক্রেতার পাশাপাশি আছেন নারী ক্রেতাও। এসব দোকানে প্রতি জোড়া দেশি নারিকেল বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২৬০ টাকায়।

ভারত থেকে আমদানি করা নারিকেলের জোড়া পাওয়া যাচ্ছে ১০০ থেকে ১৮০ টাকায়। সে হিসেবে প্রতি পিস নারিকেলের দাম পড়ছে গড়ে ৫০ থেকে থেকে ৯০ টাকা। গত বছর ছোট সাইজের ১ জোড়া নারিকেল  ১৮০ টাকা, মাঝারি ২৫০ এবং বড় সাইজের  ২৭০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে নাড়ু তৈরির প্রধান উপকরণ গুড় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। এছাড়াও পূজা উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন রাস্তার পাশে বসেছে মৌসুমি নারিকেলের দোকান। মহানগরের দত্তবাড়ি এলাকায় গৃহবধূ মৌসুমীা রায় জানান, নারিকেল ছাড়া পূজার কথা ভাবাই যায় না। পূজায় সব আত্মীয়স্বজন বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

তাদের আপ্যায়নে মিষ্টিজাতীয় সব খাবার করতে হয়। এর মধ্যে নারকেলের নাড়ু অন্যতম। তিন জোড়া নারকেল কিনলাম ৪৮০ টাকায়। গত বছরের চেয়ে এবছর দাম একটু কম। গত বছরে একই মাপের নারিকেল জোড়া ২৮০ টাকা ছিল।

বগুড়া শহরের স্টেশন রোডের ব্যবসায়ী রতন বলেন, সারা বছর কমবেশি বেচা কেনা হলেও পূজা উপলক্ষে বিক্রি হয় বেশি। এবছর নারিকেল আগে থেকেই আমদানি করা হয়েছে এবং দেশীয় নারিকেলও মজুুদ করার কারণে দাম কিছুটা কমেছে।

সনাতন ধর্মালম্বীদের পূজা পার্বনে মিষ্টি ও মিষ্টান্ন খাবার বেশি তৈরি হয়। সে কারণে নারিকেল ও গুড় হচ্ছে পূজার অন্যতম উপকরণ। এছাড়া অতিথি আপ্যায়নেও নারিকেল ও তিলের তৈরি নাড়ুর কদর অনেক বেশি হয়ে থাকে।

এ উপলক্ষে শহরের চেলোপাড়া, স্টেশনরোড, নামাজগড়ের নারকেল ব্যবসায়ীরা বিক্রির জন্য ট্রাক ভরে আমদানি করা নারিকেল ছাড়াও নওগাঁ, যশোর, ভোলা, নোয়াখালি, বরিশাল থেকে নারকেল এনেছেন। আশা করছেন আশানুরূপ বিক্রি করতে পারবেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু : আমদানি ছাড়াও দেশী নারিকেল পর্যাপ্ত মজুদ করায় দাম কমেছে

১

স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে

২

সিংহ কখনও পালের সঙ্গে হাঁটে না: পূজা চেরী

৩

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: টুকু

৪

দুর্গাপূজা উপলক্ষে সোনাহাট স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ৭ দিন বন্ধ

৫

সোনালী ব্যাংকের সব সেবা ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে

৬