পাকিস্তানের হয়ে কাজ করতে ‘ভয় পান’ স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ
স্পোর্টস ডেস্ক : পাকিস্তান ক্রিকেট দল বড্ড বাজে সময় পার করছে। ইংল্যান্ড সফরে প্রথম দুই টেস্ট হেরে সিরিজ খোয়ানোর পর প্রধান কোচ, বোলিং কোচসহ সাত খেলোয়াড়কে তাদের দেশে ফেরানো হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের কোচিং স্টাফে যুক্ত হতে আগ্রহী বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ। তবে মহসিন নাকভির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডে (পিসিবি) সম্মান ও চাকরির নিরাপত্তার অভাব নিয়ে শঙ্কিত তিনি। বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নেওয়ার আগে নিজ দেশ পাকিস্তানে বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী মুশতাক। তবে মাঠে বাজে পারফরম্যান্স, বাইরে বিশৃঙ্খলা ও অস্থিরতা মিলিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট এখন টালমাটাল।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টেস্টের আগে দলে যে সাতজনকে যুক্ত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে পাঁচ জনেরই টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা নেই। বিবিসির স্টাম্পড পডকাস্টে মুশতাক জানিয়েছেন, দেশের ক্রিকেটের এমন পরিস্থিতিতে তিনি কাজ করতে আগ্রহী। তবে একই সঙ্গে শঙ্কিতও। ৫৬ বছর বয়সী মুশতাক বলেছেন, ‘অবশ্যই আমি আমার দেশের জন্য কাজ করতে চাই, বিশেষ করে এই সময়ে। কিন্তু মাঝে মাঝে নিজের দেশের জন্য কাজ করতেও ভয় লাগে। যখন মানুষ আপনাকে সম্মান করে না এবং কিছু আবেগতাড়িত সিদ্ধান্তের কারণে আপনাকে বরখাস্ত করে...,যখন সফরে গিয়ে কোচদের বরখাস্ত হতে দেখবেন, তখন উদ্বিগ্ন ও ভীত হয়ে পড়বেন।’
আরও পড়ুনমুশতাক আরো বলেছেন, সিরিজের মাঝপথে সরফরাজ আহমেদ ও কোচ উমর গুলকে বরখাস্ত হতে দেখে তিনি ব্যথিত হয়েছেন, ‘আমার মনে হয়, এই বিষয়গুলো যদি ঠিকঠাক করা যায়, তাহলে শুধু আমি নই, কোচিংয়ে থাকা প্রত্যেক পাকিস্তানিই দেশের সেবা করতে চাইবে। আমার জন্য এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার, এই খেলোয়াড়দের সেরা ফর্মে ফিরিয়ে আনার, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তোলার এবং বর্তমানে প্রতিপক্ষ দলগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে—এমন একটি দল তৈরি করার এটাই সেরা সময়।’
মুশতাক আহমেদ ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান দলের বোলিং পরামর্শক ছিলেন। ২০২০ সালে তিনি স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে জাতীয় দলে ফেরেন এবং ২০২২ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্বে ছিলেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে এ বছরের নভেম্বর পর্যন্ত চুক্তি আছে মুশতাকের।
মন্তব্য করুন

_medium_1788770479.jpg)
_medium_1788767729.jpg)

_medium_1788767277.jpg)
_medium_1788758392.jpg)

_medium_1788771081.jpg)
_medium_1788770730.jpg)