কাবিননামায় আগের বিয়ে ও সন্তানের তথ্য বাধ্যতামূলক করতে রিট
বিয়েতে তথ্য গোপন ও প্রতারণা রোধে কাবিননামায় বর-কনের পূর্ববর্তী ও বিদ্যমান বিয়ে, সন্তান এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য উল্লেখ বাধ্যতামূলক করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান এ রিট আবেদন করেন।
রিটে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব এবং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শককে বিবাদী করা হয়েছে। এর আগে ২০ আগস্ট আইনজীবী ইশরাত হাসান সংশ্লিষ্টদের একটি আইনি নোটিশ পাঠান। এতে সাড়া না পাওয়ায় তিনি রিট আবেদন করেন।
রিটে কাবিননামা সংশোধন করে বর-কনের আগের ও বিদ্যমান সব বিয়ের তথ্য, আগের বা বিদ্যমান বিয়ের সন্তানদের তথ্য, চলমান ভরণপোষণ, অভিভাবকত্ব ও অন্যান্য আইনগত দায় এবং জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্ট নম্বর অন্তর্ভুক্ত ও যাচাইযোগ্য করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
এসব তথ্য অন্তর্ভুক্ত না করে কাবিননামা হালনাগাদের ক্ষেত্রে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং নাগরিকদের পারিবারিক জীবন সুরক্ষায় কাবিননামার ফরম সংশোধনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না—এ মর্মে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে।
আইনি নোটিশে বলা হয়, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা ২০০৯-এর অধীনে ব্যবহৃত বাংলাদেশ ফরম নম্বর ১৬০১ বা ‘ঘ’ ফরমের বর্তমান কাবিননামাটি অসম্পূর্ণ ও অসমতাপূর্ণ। এতে বর ও কনের পূর্ববর্তী সব বিয়ে, সাবেক স্বামী বা স্ত্রীর পরিচয়, বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের তথ্য, বিবাহবিচ্ছেদ কার্যকর হওয়ার তারিখ, চলমান বৈবাহিক মামলা এবং বিদ্যমান সন্তানের তথ্য যথাযথভাবে উল্লেখ ও যাচাইয়ের ব্যবস্থা নেই। ফলে কোনো ব্যক্তি পূর্বের একাধিক বিয়ে, বিদ্যমান বৈবাহিক সম্পর্ক, বিতর্কিত বা অনিবন্ধিত তালাক, সন্তান কিংবা আগের পরিবারের প্রতি চলমান ভরণপোষণ ও অভিভাবকত্বসংক্রান্ত দায় গোপন করে নতুন বিয়েতে আবদ্ধ হতে পারেন।
এতে প্রতারণার সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং নতুন জীবনসঙ্গীর জেনে-বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক



_medium_1787654638.jpg)

_medium_1787654136.jpg)
_medium_1787655308.jpg)

_medium_1787653521.jpg)