ভিডিও রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট, ২০২৬ ০৯:৫৫ পিএম

বগুড়ার শেরপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে স্বেচ্ছাসেবক বাছাই নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

বগুড়ার শেরপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে স্বেচ্ছাসেবক বাছাই নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার শেরপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কার্যক্রমের স্বেচ্ছাসেবক বাছাই নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। একই ব্যক্তি সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী-দুই পদে উত্তীর্ণ এবং একই ওয়ার্ড থেকে আপন ভাই-বোন তথ্য সংগ্রহকারী পদে নির্বাচিত হয়েছেন। ফলাফল প্রকাশের পর বাছাই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, মেধা যাচাই এবং প্রার্থী নির্বাচনের মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

গত ৭ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান হিমু ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাইম হোসেন সইকৃত ফলাফলে এ তথ্য উঠে আসে। ফলাফলে দেখা যায়, উপজেলা সীমাবাড়ী ইউনিয়নের হোসেন আলীর ছেলে আইয়ুব আলী সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীÑদুই পদেই উত্তীর্ণ হয়েছেন।

অন্যদিকে খামারকান্দি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে রফিকুল ইসলামের ছেলে ও মেয়ে মেহেদী হাসান ও রিক্তি জাহান ইতি তথ্য সংগ্রহকারী পদে উত্তীর্ণ হয়েছেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন উঠেছে, একটি ওয়ার্ডে কী যোগ্য প্রার্থী বলতে ওই পরিবারের দুই সদস্যই ছিলেন?

বাছাই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর প্রকাশ না করায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে আবেদনকারীদের মধ্যে। তাদের দাবি, কে কত নম্বর পেয়েছেন, মেধাক্রমে কার অবস্থান কোথায় এবং কোন মানদণ্ডে চূড়ান্তভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে তা প্রকাশ করা হোক।

যদি পরীক্ষার নম্বর ও মেধাক্রম প্রকাশ করা হয়, তবে বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত মেধাবীরা বাদ পড়েছেন কি না, তাও স্পষ্ট হবে।

আরও পড়ুন

বাছাইয়ের মৌখিক পরীক্ষা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন পরীক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, প্রার্থীদের নাম, বাবার নাম ও রোল নম্বরের মতো সাধারণ পরিচয়সংক্রান্ত প্রশ্নের মধ্যেই মৌখিক পরীক্ষা সীমাবদ্ধ ছিল। এমনকি কয়েকজন পরীক্ষার্থী ট্যাবে তথ্য লিখতে গিয়ে প্রয়োজনীয় অক্ষর খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়লেও মেধা তালিকায় তারা উত্তীর্ণ হয়েছেন-এমন অভিযোগও উঠেছে।

একই পরিবারের দুই সদস্য একই ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত হওয়ার ঘটনায় স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, অভিযোগ সত্য না মিথ্যা তা প্রমাণের সবচেয়ে সহজ পথ হলো পরীক্ষার নম্বর, মেধাক্রম ও নির্বাচন কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তি প্রকাশ করা। এতে প্রশাসনের ওপর ওঠা প্রশ্নেরও অবসান ঘটবে।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাইম হোসেন বলেন, একই পরিবারের দুজনের মেধা থাকলে তারা উঠে আসতেই পারেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, একজন পরীক্ষার্থী দুই পদে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে, সে যেকোনো একটি পদ বেছে নেবে। অন্য পদটি শূন্য হলে ওয়েটিং লিস্ট থেকে প্রার্থী নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বগুড়ার শেরপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে স্বেচ্ছাসেবক বাছাই নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

বুবলীর ফেরার প্রস্তুতি

বগুড়ায় ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেফতার

‘ইতি রবীন্দ্রনাথ’-এ মুগ্ধতা ছড়ালেন স্বপ্নীল সজীব

সিরাজগঞ্জে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক ১

বগুড়ার শেরপুরে আ’লীগ নেতাসহ ৩ জন গ্রেফতার