‘ডিসকাউন্ট না পেলে আরো বাড়ত ধর্ম উপদেষ্টার চিকিৎসা ব্যয়’
চিকিৎসা বাবদ ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। ওই ব্যাখায় অপারেশনের খরচে ডিসাকাউন্ট ও নিজের পরিচর্যার জন্য তার সঙ্গে থাকা সহযাত্রীর খরচ নিজে বহন করার কথা জানিয়েছেন তিনি।
ডিসকাউন্ট না পেলে ও পরিচর্যার খরচ যুক্ত হলে বিল ৮২ লাখেরও অনেক বেশি আসত বলে জানান তিনি।
রবিবার (২৮ জুন) সকাল ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে চিকিৎসা বাবদ ব্যয়ের ব্যাখ্যায় তিনি এ কথা জানান।
অপারেশন ব্যয়ের ব্যাখ্যায় ধর্ম উপদেষ্টা বলেছেন, ‘বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে বিল দিই প্রায় ৬৫ লক্ষ টাকা। যার বিল আরো অনেক বেশি ছিল।
আরও পড়ুনকিন্তু বাংলাদেশ দূতাবাসের কারণে ডিসিকাউন্ট পাওয়া যায়।’তিনি আরো বলেন, ‘পবিত্র হজ্বের দায়িত্ব পালন শেষে আবারও অসুস্থতা অনুভব করায় আমি দেশের ডাক্তারদের শরণাপন্ন হই এবং তারা দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ প্রদান করেন। বিগত জানুয়ারি মাসে আমার অপারেশন সম্পন্ন হয় এবং বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে বিল দিই প্রায় ৬৫ লক্ষ টাকা। এ সংক্রান্ত সমস্ত বিলের কপি আমি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে জমা দিয়েছি।
আইনানুসারে সরকার কর্তৃক মন্ত্রী/উপদেষ্টার চিকিৎসার সমস্ত খরচ সরকার বহন করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকার শুধুমাত্র আমার হাসপাতালের বিল, অপারেশন বিল ও মেডিসিনের ব্যয় বহন করেছে। প্রকৃতপক্ষে আমার পরিচর্যার জন্য সঙ্গে যাওয়া আমার সহযাত্রীর সমস্ত খরচ আমি বহন করেছি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার হোটেলে বসবাসের বিল, খাওয়ার বিল, যাতায়াত খরচও ব্যক্তিগতভাবে বহন করেছি। সরকার প্রদত্ত প্রতিটি পয়সার প্রকৃত বিল, ভাউচার, রিসিপ্ট আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। যে কেউই চাইলে হাসপাতাল ও কর্তৃপক্ষের কাছে এসব ব্যয়ের ব্যাখ্যা অনুসন্ধান করতে পারবেন।
নিজের সততার উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টা হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এবং নির্লোভ ও নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। সরকারি কোনো অর্থ আত্মসাৎ কিংবা তসরুপ করা থেকে নিজেকে বিরত রেখেছি। কিন্তু কিছু মিডিয়া বৈধ, নিয়মতান্ত্রিক ও আইনগত বিষয়গুলোকে এমনভাবে ফ্রেমিং করছে যেন জনমানসের মনে শঙ্কা ও সন্দেহ তৈরি হয়। আমি এসব সংবাদ ও মিডিয়া ফ্রেমিংয়ের তীব্র নিন্দা জানাই।’
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক








