ভিডিও শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রকাশ : ১৬ মে, ২০২৬, ১১:০৮ রাত

চলনবিলের হাট-বাজারে মাছ ধরার ফাঁদ ‘চাই’ বিক্রির ধুম 

চলনবিলের হাট-বাজারে মাছ ধরার ফাঁদ ‘চাই’ বিক্রির ধুম 

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলাসহ চলনবিলাঞ্চলের খালগুলো নতুন পানিতে ভরে যাচ্ছে। উজানের পানি ও বৃষ্টির পানি মিলে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকার খাল ও নিম্নাঞ্চল পানির নিচে ডুবে যাচ্ছে। এসময় কাজ না থাকায় জীবন-জীবিকার জন্য মাছ ধরার পেশা বেছে নেন অনেকে। 
চাই/খলসুনি, মাছধরার একপ্রকার যন্ত্রের নাম। স্থানীয় ভাষায় আবার কেউ কেউ একে ধুন্দী বলে। যে নামেই ডাকুক না কেন, মাছধরার সেইযন্ত্র তৈরির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন এ এলাকার হাজার হাজার মানুষ।

এটি তৈরি করতে বাঁশ ও তালের আঁশ দরকার হয়। এটি তৈরির পর বিভিন্ন হাট-বাজারে তা বিক্রি হয়। মাছ শিকারিরা ওই সমস্ত চাই কিনে বিলের পানিতে রেখে মাছ শিকার করে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। খলসুনি ব্যবসায়ী আজম আলী জানান, দাদার আমল থেকেই এ কাজের সাথে জড়িত তারা। অনেকে নতুন করে এ পেশায় আসছেন, তাই দিন দিন এর সাথে মানুষের সম্পৃক্ততা বাড়ছেই।

ভাদাস গ্রামের হোসেন আলী জানান, তারা প্রথমে বাঁশ চিরে খিল তুলে চিকন করে, সেগুলো শুকিয়ে নেয়া হয় হালকা রোদে। পঁচানো তালের ডাগুরের আঁশ দিয়ে খিলগুলো সুন্দর করে পেচিয়ে তৈরি হয় খলসুনি। এসব কাজে গৃহবধূ থেকে শুরু করে পরিবারের সবাই সহায়তা করে থাকে।

আরও পড়ুন

গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড় গ্রামের শিপন ব্যাপারী জানান, তার গ্রামের প্রায় ২৫০ পরিবার খলসুনি তৈরির কাজে জড়িত। আকারভেদে প্রতি জোড়া খলসুনির দাম ৪শ’-৬শ’ টাকা। এক জোড়া খলসুনি তৈরিতে সময় লাগে প্রায় দুই থেকে তিনদিন। উপকরণ বাবদ খরচ হয় ১৫০ থেকে ২শ’ টাকা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বেদখল হওয়া ৪১ শতক জমি উদ্ধার

চলনবিলের হাট-বাজারে মাছ ধরার ফাঁদ ‘চাই’ বিক্রির ধুম 

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বিষপানে গৃহবধূর আত্মহত্যা

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় পৃথক স্থানে দুই যুবকের আত্মহত্যা

প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে বগুড়ায় আধুনিক কসাইখানা নির্মাণ : উদ্বোধন করবেন প্রতিমন্ত্রী টুকু

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বিশালাকৃতির ষাঁড় নিয়ে আলোচনায় মনিরুল