মিরপুর টেস্ট
প্রথম ঘণ্টায়ই ২ উইকেট হারালো বাংলাদেশ
স্পোর্টস ডেস্ক: এই টেস্টে জিততে হলে শেষ দিনে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা দরকার বাংলাদেশের। শুরুটা সেভাবেই হয়েছিল। তবে মুশফিকুর রহিম পারেননি ইনিংস বড় করতে।
পাকিস্তানি পেসার হাসান আলির বলে তুলে মারতে গিয়ে মিডঅফে ক্যাচ তুলে দেন তিনি, ফেরেন ২২ রান করে। পারেননি লিটন দাসও। ১১ রান করে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হয়েছেন তিনিও। শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন লিটন। ১৯০ রানে পঞ্চম উইকেটের পতন বাংলাদেশের। লিড ২১৭।এর আগে চতুর্থ দিন শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫২। লিড ১৭৯ রানের। দিন শেষে ৫৮ রানে অপরাজিত ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত এবং ১৬ রানে মুশফিকুর রহিম।
মুমিনুল হক প্রথম ইনিংসে ৯১ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও পেয়েছেন অর্ধশতকের দেখা। সবমিলিয়ে টানা ৫ ইনিংসে অর্ধশতকের দেখা পেলেন তিনি। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৭তম অর্ধশতক। আর ফিফটি করেই তিনি স্পর্শ করেছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ৫ হাজার রানের মাইলফলক।তৃতীয় বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। তার আগে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। তার নামের পাশে রয়েছে ৭০ ম্যাচে ১৩৪ ইনিংসে ৩৮ গড়ে ৫৩১৪ রান, অর্ধশতক ৩১টি ও শতক ১০টি।
আরও পড়ুনমুমিনুল ফিফটি করলেও দলীয় ১২৮ রানের মাথায় আউট হয়ে যান শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে উইকেটের পেছনে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে। ততক্ষণে তার নামের পাশে লেখা হয়েছে ৫৬ রান, ১২০ বলে। এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৫ রানে মাহমুদুল হাসান জয় এবং ১০ রানে আউট হন সাদমান ইসলাম।
টেস্টের প্রথম ইনিংসে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিল ৪১৩ রানে। জবাবে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ৩৮৬ রান। ২৭ রানের লিড পেয়েছিল বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন








