প্রকাশ : ০২ মে, ২০২৬, ০৩:৫৪ দুপুর
কিশোরগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস রুমে ধ্বস, হুমকীতে ভবন
কিশোরগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস রুমে ধ্বস, হুমকীতে ভবন
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে গতকাল শুক্রবার (১ মে) রাতের ভারি বর্ষণে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস রুম ও টয়লেট ধ্বসে পড়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়াসহ যে কোন সময় বড় ধরণের দূঘর্টনার আশংকা দেখা দিয়েছে। ফলে কমলমতি শিশুদের পড়াশুনায় ব্যাঘাত ঘটার শংকা দেখা দিয়েছে।
নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার ১ নং উত্তর দুরাকুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১১৬ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের পাঠদানের জন্য রয়েছে ৩ টি ক্লাস রুম। এর মধ্যে একটি রুম ধ্বসে পড়ায় ৫ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার রাতের ভারী বর্ষণে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদানকৃত ক্লাসরুমের একটি কর্ণার ধ্বসে পড়েছে। রুম সংলগ্ন টয়লেটটি পড়েছে হুমকীতে। যে কোন সময় ভবনটি ধ্বসে পড়ে যেতে পারে বলে এলাকাবাসী আশংকা করছে।
স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার রাতের ভারী বর্ষণে ভবনের রুম ও টয়লেট ধ্বসে পড়েছে। শিশুদের ক্লাস গ্রহণ কষ্টকর হবে। আমরা আমাদের শিশুদের সুষ্ঠভাবে পড়াশুনার জন্য ভবনটি দ্রæত সংস্কারের দাবী করছি।
বিদ্যালয়ের জমিদাতা রেজাউল আলম স্বপন বলেন, বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির রুমটির একাংশ ও কোমলমতি শিশুদের ব্যবহার টয়লেট ধ্বসে পড়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। যে কোন সময় বড় ধরণের দূঘর্টনা ঘটতে পারে। এ জন্য জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার করা প্রয়োজন।
প্রধান শিক্ষক মেহেরুন্নেছা খানম জানান, সকালে বিদ্যালয়ে এসে দেখতে পাই রাতের ভারী ভর্ষণে ক্লাস রুম ধ্বসে পড়েছে। তাৎক্ষনিক বেঞ্চ, নলকুপ, ফ্যান ও বৈদ্যুতিক তার সড়িয়ে ফেলেছি। ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস গ্রহণে ব্যাপক অসুবিধার সম্মুখিন হবো। দু’টি ক্লাস রুমে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা করা খুবেই কষ্টকর হবে বলেও এ শিক্ষক জানান। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগতি করেছি।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ফিরোজ জানান, বিদ্যালয়টিতে মাত্র ৩ টি ক্লাস রুম। পর্যাপ্ত ক্লাস রুম না থাকায় এমনিতে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় কষ্ট হয়। এর মধ্যে শুক্রবারের ভারী বর্ষণে ৫ম শ্রেণির ক্লাসরুম ধ্বসে পড়ায় শিক্ষার্থীদের পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটবে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক





