ভিডিও বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৩৭ দুপুর

বর্তমান সরকার ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় না : প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান সরকার ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় না : প্রধানমন্ত্রী, ছবি: সংগৃহীত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় না এবং অতীতেও করেনি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের নীতি।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। তিনি বলেন, পৃথিবীতে বহু ধর্ম রয়েছে এবং প্রতিটি ধর্মই মানুষকে কল্যাণের পথে আহ্বান করে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রধান ধর্মগুরু গৌতম বুদ্ধ তার অনুসারীদের জন্য পঞ্চশীল নীতি প্রবর্তন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে-প্রাণী হত্যা না করা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যা বলা এবং মাদক থেকে বিরত থাকা। পাশাপাশি প্রেম, অহিংসা ও সর্বজীবে দয়ার শিক্ষা বৌদ্ধ ধর্মের মূল ভিত্তি।

তারেক রহমান বলেন, এই নীতিগুলো শুধু বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য নয়, বরং প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি নাগরিকরা যদি নিজ নিজ ধর্মীয় নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করেন, তবে একটি মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রধান দায়িত্ব ও অঙ্গীকার হলো এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণ করা, যেখানে প্রত্যেক নাগরিক নিজের ধর্মীয় রীতি-নীতি স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবেন। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যাতে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়েই মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় কে কোন ধর্মের, কে বিশ্বাসী বা অবিশ্বাসী এসব কোনো বিষয় ছিল না। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলে লাখো প্রাণের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন করেছি। তাই এই বাংলাদেশ সবার।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক দর্শন ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’, যা দেশের সব ধর্ম, বর্ণ ও নৃগোষ্ঠীর সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম। আপনারা কেউ নিজেদের সংখ্যালঘু ভাববেন না। রাষ্ট্র আমাদের সবার আমরা প্রত্যেকে বাংলাদেশি। শেষে প্রধানমন্ত্রী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের আবারও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই দিনটি তাদের জীবনে আরও আনন্দময় ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠুক।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মহান মে দিবসে ঢাকায় শ্রমিকদলের সমাবেশ, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২৫ বিলিয়ন ডলার

রোনালদোর গোলে টানা ২০ জয় আল নাসরের

বাড়ছে বন্যার ঝুঁকি, বিপৎসীমার ওপরে চার নদীর পানি 

ট্রাইব্যুনালে আসতে বাধ্য হলেন সাবেক মন্ত্রী কামরুল

ইরানী ফুটবল কর্তাদের কানাডা বিমানবন্দর থেকে ফেরত