সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় করতোয়ার বেতবাড়িঘাটে রশি টেনে নৌকা পারাপার
উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার এঁকেবেঁকে প্রবাহিত করতোয়া নদীর বেতবাড়ি খেয়া ঘাট। নদীর এপাড় থেকে ওপাড়ে যাতায়াতে এখনও নৌকা ব্যবহার করে থাকেন এখানকার সাধারণ মানুষজন। তবে পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় ইঞ্জিন ব্যবহার না করে রশি বেঁধে খেয়া পারপার করছেন মাঝিরা। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন মাঝি ও পারাপারের মানুষ।
উল্লাপাড়ার করতোয়া নদীর বেতবাড়ী-পূর্ব সাতবাড়ীয়া খেয়াঘাটে বহু বছর ধরে চলছিল শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকা। ভোর ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত হাজারো মানুষ অপ্রশস্ত নদী পার হতেন এসব নৌকায়। কিন্তু চাহিদামতো জ্বালানি তেল না পেয়ে এখন চালু করা যাচ্ছে না শ্যালো ইঞ্জিন। তাই বাধ্য হয়ে দু’পারে দড়ি বেঁধে হাতে টেনে নৌকা পারাপার করছেন মাঝিরা। হাতে দড়ি টেনে দীর্ঘসময় নৌকা চালানো খুবই কষ্টের।
মাঝি শহিদুল ইসলাম, আব্দুল লতিফ ও শাহাদত হোসেন জানান, উল্লাপাড়ার পূর্বাঞ্চলের অন্তত ২০ হাজার লোক বেতবাড়ী-পূর্বসাতবাড়ীয়া খেয়াঘাট পার হয়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন। সহজ ও দ্রুত পারাপারের জন্য নৌকায় শ্যালো ইঞ্জিন লাগিয়েছিলেন মাঝিরা। প্রতিদিন নৌকা চালাতে তাদের তেলের প্রয়োজন হয় অন্তত তিন লিটার। কিন্তু বর্তমানে প্রয়োজনমতো ডিজেল পাচ্ছেন না তারা।
আরও পড়ুনউপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিসে আবেদন করার পর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে তাদের ঘাটের নৌকার জন্য প্রতিদিন এক লিটার করে তেল পাচ্ছেন। এতে অর্ধেক দিনও নৌকা চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে নিরুপায় হয়ে পারপার চালু রাখতে এক সপ্তাহ ধরে তারা নদীর দুই পারে বাঁশের খুঁটি পুঁতে তাতে দড়ি বেঁধে হাতে টেনে নৌকা পার করছেন। উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম আরিফ বলেন, এখন তেল রেশনিং করা হচ্ছে। বেতবাড়ী-পূর্বসাতবাড়ীয়া ঘাট দিয়ে প্রচুর লোক যাতায়াত করেন। আপাতত ঘাট মাঝিদের কষ্ট হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


_medium_1776094950.jpg)
_medium_1776094835.jpg)

_medium_1776094579.jpg)


